কোমোর ইতিহাস, প্রথমবার খেলবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে

সিরি আ-র চলতি মৌসুম শেষ হয়েছে নাটকীয়তায় ভরপুর এক পরিণতিতে। সেস ফেব্রিগাসের কোমো ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে শীর্ষ চারে উঠতে না পারায় এসি মিলানকে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে ইউরোপা লিগ নিয়ে।
উত্তর ইতালির একই নামের লেকপাড়ের ক্লাব কোমো ২০১৯ সালে ইন্দোনেশিয়ার শিল্পপতি ভাই রবার্ট বুডি হার্টোনো ও মাইকেল বামবাং হার্টোনোর মালিকানায় যাওয়ার পর দ্রুত বদলে যায়। তখন দলটি খেলত সিরি ডি-তে। কয়েক বছরের ব্যবধানে সেই ক্লাবই এখন ইউরোপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে।
শেষ ম্যাচে ক্রেমোনেসেকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে চতুর্থ স্থান নিশ্চিত করেছে কোমো। এর মধ্য দিয়ে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার টিকিট পেয়েছে ফেব্রিগাসের দল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা পাওয়ার পর কোমোতে ফেব্রিগাসের ভবিষ্যৎ আরও শক্ত হলো বলেই মনে করা হচ্ছে। ৩৯ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচকে নিয়ে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহের খবরও শোনা যাচ্ছে। ক্লাবের ১১৯ বছরের ইতিহাসে কখনো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় খেলেনি কোমো। প্রথমবার সিনিয়র দলের দায়িত্ব নিয়েই সেই দলকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তুলে ইতিহাস গড়লেন সাবেক স্প্যানিশ তারকা।
অন্য ম্যাচে নাপোলি ১০ জনের উদিনেসেকে ১-০ গোলে হারিয়ে রানার্সআপ হয়েছে। ম্যাচের ২৪তম মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে গোল করেন রাসমুস হয়লুন্দ। এটি ছিল লিগে তাঁর ১২তম গোল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা নিশ্চিত করতে কাগলিয়ারির বিপক্ষে জয় প্রয়োজন ছিল ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির দলের। কিন্তু মিলানে ২-১ গোলে হেরে যায় তারা। ফলে পঞ্চম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করা এসি মিলানকে আগামী মৌসুমে খেলতে হবে ইউরোপা লিগে।
চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলান, রানার্সআপ নাপোলি ও চতুর্থ স্থানের কোমোর সঙ্গে তৃতীয় স্থানে থাকা রোমাও নিশ্চিত করেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা। অন্যদিকে মিলানের পাশাপাশি জুভেন্টাসও খেলবে ইউরোপা লিগে। শেষ ম্যাচে তুরিনোর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে তারা।
ভিওডি বাংলা/আ







