মুসাব্বির হত্যায় সন্ত্রাসী জাহিদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখছে পুলিশ

রাজধানীর বনানী থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র সরবরাহে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডে জাহিদুল ইসলামের প্রাথমিক সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যার নেপথ্যের আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
ডিএমপি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (১৩ মে) রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে বনানী থানার একটি দল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পেছনে মহাখালী টিবি গেট এলাকার একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, একটি পিস্তলসদৃশ বস্তু, ২ হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির ৭১ হাজার ২০ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ৭ মে রাত ১০টার দিকে বনানী থানাধীন মহাখালী কাঁচাবাজারের পেছনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুইজন আহত হন। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্তদের শনাক্তের চেষ্টা চালায় বনানী থানা পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় জাহিদুল ইসলামের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জাহিদুল ইসলাম তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও শীর্ষ মাদক কারবারি। হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। র্যাব, ডিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার জাহিদুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এম আই/এফএ







