ডিএমপি
ঢাকায় ১৩ দিনে গ্রেপ্তার ১৪৭৬

রাজধানীতে চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানে গত ১ মে থেকে ১৩ মে পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৭৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ ১৭৮ জন, চাঁদাবাজদের সহযোগী ৩৪৫ জন, সন্ত্রাসী-ছিনতাইকারী ও ডাকাত দলের সদস্য ৪৭০ জন এবং মাদক কারবারি ৪৮৩ জন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, সরকারের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১ মে থেকে রাজধানীজুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।
মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মহানগরের চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না, সমাজের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
ব্যবসায়ী ও মার্কেট সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে কমিটি গঠন করে চাঁদাবাজদের প্রতিরোধে সক্রিয় হতে হবে। কারণ অনেক সময় গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তরা জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
ডিএমপির এই অতিরিক্ত কমিশনার জানান, রাজধানীর বনানী এলাকায় পৃথক অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে বনানী থানা পুলিশ।
বনানী থানার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পেছনে মহাখালী টিভি গেট এলাকায় একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, ২ হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির ৭১ হাজার ২০ টাকা নগদ অর্থ এবং তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার জাহিদুল ইসলাম একজন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও শীর্ষ মাদক কারবারি। হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। র্যাব, ডিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
ভিওডি বাংলা/এমআই/এফএ







