‘সংস্কার কমিশনের সঙ্গে মতবিভেদ সৃষ্টির সুযোগ নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু জনসংখ্যা নয়, ভোটার, ভৌগোলিক আয়তন ও প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধাকে প্রাধান্য দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের সভা কক্ষে নির্বাচন কমিশনের তৃতীয় কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংস্কার কমিশনের সঙ্গে মতবিভেদ সৃষ্টির সুযোগ নেই। প্রয়োজনে সহযোগিতা করবে নির্বাচন কমিশন।
এ ছাড়া আলোচ্য সূচির বাহিরে এনআইডি সংশোধন, চুক্তিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা সুপারিশ, প্রবাসি বাংলাদেশিদের ভোট পদ্ধতি ও সফটওয়্যার হালনাগাদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন নির্বাচন কমিশনারন ও ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, ভোটারদের আস্থা ফেরানোর কথা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সভার আগে সফররত ইইউ গণতন্ত্র বিশেষজ্ঞ মাইকেল লিডর সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি সচিব ও মাইকেল লিডর।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ওনারা দুই সপ্তাহ ধরে দেশে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের মতবিনিময়ের ফিডব্যাক দিতে এসেছেন তারা। সব লেভেলে একটাই কথা অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কমিটমেন্ট রয়েছে সবক্ষেত্রে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকারের ব্যবস্থাপনার মধ্যে আনতে পারি সে বিষয়ে পরামর্শ বা মডেল থাকলে শেয়ার করতে বলেছি। এটি জটিল প্রক্রিয়া হলেও তারা বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান সচিব।
সচিব বলেন, তারা ভোটারদের ভেতরে আস্থা ফেরানোর বিষয়টি জানিয়েছেন। বিশেষ করে সচেতনতা, যোগাযোগ সিস্টেমকে আরও জোরদার করার বিষয়ে জোর দিয়েছেন।
সার্বিক মতামত নিয়ে সফররত ইইউ প্রতিনিধিদের আগামী সপ্তাহে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/ মিনহাজ/ এমএইচ







