• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
মিনা-মুজদালিফায় বাড়ছে তাপমাত্রা, হজযাত্রীদের জন্য সতর্কবার্তা রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় বিশেষ পিপি নিয়োগ পুরনো ঘুণে ধরা বাংলাদেশ আর দেখতে চাই না: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ঈদযাত্রার প্রথম দিনে সড়কে ১৬ প্রাণহানি চার মাসে ধর্ষণসহ শিশু নির্যাতনের ৭৩ ঘটনায় মামলা হয়নি হামের রোগী ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার-নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল পাকিস্তান কি পারবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামাতে? চাঁন-তারা জামে মসজিদের জানাজার ঘর উদ্বোধন করলেন ডিএসসিসি প্রশাসক ২৫ মে থেকে পরবর্তী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’: প্রধানমন্ত্রী টাকা দিয়ে মীমাংসার প্রস্তাব, ধর্ষণের শিকার কিশোরীর গলায় ফাঁস

জামিনে বেরিয়েই ফের জড়িয়ে পড়ছে পুরনো অপরাধে

বিশেষ প্রতিনিধি    ২৪ মে ২০২৬, ০৩:০০ এ.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা গ্রাফিক্স

অভিযান, মামলা ও গ্রেপ্তারে থামছেই না অপরাধী চক্র। একই ব্যক্তি বারবার গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে আবার জড়িয়ে পড়ছে পুরনো অপরাধে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, ছিনতাই, মাদক, চুরি ও চাঁদাবাজির মতো ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া অনেকের বিরুদ্ধেই রয়েছে একাধিক মামলা। কিন্তু জামিনে মুক্তি পেয়েই  ফের অপরাধ জগতে সক্রিয় হয়ে উঠছে তারা। 

সংশ্লিষ্টরা জানান, জামিনে বের হওয়ার পর অধিকাংশ অপরাধী আবার আগের চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে তারা আগের চেয়েও বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অনলাইন জুয়া ও সংঘবদ্ধ অপরাধ বাড়তে থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নতুন করে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করেছে।

সম্প্রতি মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। মাদক অধিদপ্তর, ডিবি পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধীদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। ডিবি’র সাদা পোশাকের সদস্য, সাইবার মনিটরিং টিম এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, বাজার, বাস টার্মিনাল, কাঁচাবাজার, ব্যবসাকেন্দ্র ও স্পর্শকাতর এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি ঝটিকা অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার মাদক ও অবৈধ জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করলেও মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন, মাদক নির্মূল ছাড়া অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, “ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি কাজ করছে। গত ১লা মে থেকে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।”

তিনি জানান, বসিলা ও কাওরান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। চাঁদাবাজি প্রতিরোধে বিশেষ মনিটরিং সেল কাজ করছে। বাজার ও জনবহুল এলাকায় দৃশ্যমান পুলিশিংও বাড়ানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু গ্রেপ্তার বা সাজা দিলেই অপরাধ কমবে না। অপরাধীদের পুনর্বাসন ও পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, “অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা দুর্বলভাবে উপস্থাপন করা হলে কিংবা আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে তারা জামিনে বেরিয়ে আসে। পরে তারা আরও শক্তিশালী হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে অপরাধীদের পুনর্বাসন এবং যারা অপরাধ সৃষ্টি ও প্রশ্রয় দেয় তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। না হলে অপরাধ দমন কঠিন হয়ে পড়বে।”

ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ/আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
১১০০ কোটি টাকার ধান পঁচার সুযোগ নিলো সিন্ডিকেট
হঠাৎ অস্থির চালের বাজার: ১১০০ কোটি টাকার ধান পঁচার সুযোগ নিলো সিন্ডিকেট
আওয়ামী লীগের ‘ফেরা’ নিয়ে আলোচনা বাড়ছেই
আওয়ামী লীগের ‘ফেরা’ নিয়ে আলোচনা বাড়ছেই
‘গোপনে’ কারামুক্ত কাইল্যা পলাশ, হতে চান কাউন্সিলর!
‘গোপনে’ কারামুক্ত কাইল্যা পলাশ, হতে চান কাউন্সিলর!