ঈদযাত্রার প্রথম দিনে সড়কে ১৬ প্রাণহানি

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রিয়জনদের সঙ্গে ছুটি কাটাতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলার মানুষ। এতে চাপ বেড়েছে সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথে। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার প্রথম দিনই দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
শনিবার (২৩ মে) কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, যশোর, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, ফরিদপুর ও গাজীপুরে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শিয়ালডাঙ্গা এলাকায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজবাড়ীগামী ‘তানহা পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। এছাড়া আহত হন ৩০ জন। আহত কয়েকজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দিনাজপুর
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জ এলাকায় শনিবার সকালে দ্রুতগতির একটি ট্রাক মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে তিন আরোহী নিহত হন। ঘটনার পর পুলিশ ট্রাকটি জব্দ করে এবং এর সহকারীকে আটক করে।
যশোর
যশোর সদর উপজেলার চৌলিয়া এলাকায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে একটি কাভার্ড ভ্যান ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে চারজন নিহত হন এবং আহত হন আরও দুজন। নিহতদের মধ্যে দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় গরুবোঝাই একটি স্থানীয় যানবাহন বড় গর্তে পড়ে উল্টে গেলে চালক আইনাল হক নিহত হন। তিনি ঈদ উপলক্ষে গরুর হাটে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।
জয়পুরহাট
জয়পুরহাটে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে দ্রুতগতির একটি ট্রাক মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ব্র্যাকের এক কর্মী নিহত হন।
ফরিদপুর
ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অজ্ঞাত একটি গাড়ির চাপায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
গাজীপুর
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ট্রাকের পেছনে পিকআপের ধাক্কায় নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনায় তদন্ত চলছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভিওডি বাংলা/এফএ







