সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সেবার মান বাড়াতে ডিএসসিসির বিশেষ নির্দেশনা

রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত গণপরিবহন কেন্দ্র সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান উন্নয়নে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
শনিবার (২৩ মে) টার্মিনালটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সচিব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-৫)সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শন শেষে টার্মিনালের চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। একই সঙ্গে এই পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে টার্মিনালের ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য অপসারণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, অবৈধ দখল এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
ডিএসসিসির নির্দেশনা অনুযায়ী, টার্মিনালের সার্বক্ষণিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে মালিক সমিতি ও ইজারাদারের পক্ষ থেকে মোট ৮ জন কর্মী নিয়োজিত থাকবেন। পরিবহন বিভাগ এ বিষয়টি তদারকি করবে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে নির্ধারিত সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে বর্জ্য জমা করে নিয়মিত অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংস্কারকৃত ও চলমান পাবলিক টয়লেটগুলো সবসময় ব্যবহারোপযোগী ও পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
টার্মিনালের মূল নকশা ও বরাদ্দ অনুযায়ী বাস কাউন্টার পরিচালনার নির্দেশনার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা পরিত্যক্ত বাসগুলোর তালিকা ঈদের পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে। পরে মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অথবা বিধি অনুযায়ী ২০ দিনের মধ্যে সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে ড্রেনগুলো পরীক্ষা করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা সচল রাখা এবং টার্মিনালের ভেতরে ও আশপাশে থাকা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে যাত্রীসাধারণের জন্য শতভাগ সেবা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
ভিওডি বাংলা/এমএস







