• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি: বাপ্পারাজ

বিনোদন ডেস্ক    ৭ মে ২০২৬, ০৩:৫৫ পি.এম.
জনপ্রিয় চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে নতুন নেতৃত্বের সম্ভাবনায় তৈরি হয়েছে ভিন্নমাত্রার আলোচনার আবহ। এবার সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ, আর সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। দুইজন মিলে একটি সমন্বিত প্যানেল গঠন করছেন বলে তারা নিশ্চিত করেছেন।

এই ঘোষণাকে ঘিরে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নস্টালজিক আবহ তৈরি হয়েছে, কারণ দুই প্রার্থীর পরিবারই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাপ্পারাজের বাবা ছিলেন কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক, যিনি শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে রুমানা ইসলাম মুক্তির মা ছিলেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম, যিনি সংগঠনটির বিভিন্ন সময়ে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। 

নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বাপ্পারাজ জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিকল্পনা করেছিলেন তার বাবার কবর জিয়ারত শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর প্রকাশ করবেন। তবে বিষয়টি আগেই গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে যায়। যদিও তিনি মনে করছেন, এতে নেতিবাচক কিছু হয়নি; বরং সহকর্মী শিল্পীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন।

তার ভাষায়, বহু সহশিল্পী ফোন ও বার্তার মাধ্যমে শুভকামনা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। বাপ্পারাজ বলেন, শিল্পীদের একটি বড় অংশ চান তিনি যেন সমিতির নেতৃত্বে দায়িত্ব নেন। তাদের সেই প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, শিল্পী সমিতির অতীত ঐতিহ্য এবং পারিবারিক উত্তরাধিকারের বিষয়টি তার ওপর আলাদা দায়িত্ব তৈরি করেছে। তার বাবা যেমন সংগঠনের ভিত্তি গড়ার সময় নেতৃত্ব দিয়েছেন, তেমনি তিনিও শিল্পীদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করতে চান।

রুমানা ইসলাম মুক্তিও একই ধরনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্র অঙ্গনের ভেতরের নানা সমস্যার সমাধান ও শিল্পীদের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য একটি কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাদের প্যানেলে নবীন ও অভিজ্ঞ শিল্পীদের সমন্বয় থাকবে বলে জানান তারা।

দুজনই মনে করেন, বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্র শিল্পে যে পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে, তা মোকাবিলায় সংগঠিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই তারা একটি পরিকল্পিত ইশতেহার তৈরি করছেন, যেখানে শিল্পীদের আর্থিক নিরাপত্তা, কাজের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সংগঠনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

শিল্পী সমিতির বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৪–২০২৬ পর্বে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় শিগগিরই ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
দীঘির আবেদনময়ী লুকে মুগ্ধ নেটিজেনরা
দীঘির আবেদনময়ী লুকে মুগ্ধ নেটিজেনরা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুঞ্জন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুঞ্জন
মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের পরেও তিশার সিনেমার শো বাতিল
মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদনের পরেও তিশার সিনেমার শো বাতিল