সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত দিল তেহরান

দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন এক কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে উভয় পক্ষ একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির বদলে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে একটি রূপরেখা বা ‘ফ্রেমওয়ার্ক’ গঠনে একমত হওয়ার চেষ্টা করছে।
ইরানের একটি উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আসন্ন আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচির সংবেদনশীল ইস্যুগুলো গুরুত্ব পাবে। এর মধ্যে রয়েছে ইরান কত মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে এবং বর্তমানে মজুদ থাকা উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা।
আলোচনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইরান ১০ দফা শর্তের একটি তালিকা উপস্থাপন করেছে বলে সূত্র জানিয়েছে। এসব শর্তে শুধু পারমাণবিক ইস্যুই নয় বরং মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক পরিস্থিতিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে লেবানন সংকটকে এতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইরানের অবস্থান অনুযায়ী, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত।
এদিকে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালীতে ইরান ‘ক্যালিব্রেটেড’ বা পরিমিত নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সীমিত ও নিয়ন্ত্রিতভাবে চালু রাখা হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
ভিওডি বাংলা/এমএস







