ভিওডি বাংলাকে এডিসি নাসির :
নজরদারি বাড়াতে আরও সিসি ক্যামেরা কিনছে ডিএমপি

বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে। যার সাহায্যে চুরি-ছিনতাই রোধসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও যানজট নিরসনে সফলতা পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি)। ডিএমপির আরও এলাকা নজরদারির আওতায় আনতে নতুন একটি প্রকল্পের অধীনে সিসি ক্যামেরা কেনার প্রক্রিয়া চলছে। এর টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব ক্যামেরার সংখ্যা কত হবে এবং কোন কোম্পানি বা ব্রান্ডের ক্যামেরা কেনা হবে তা নির্ধারণে কাজ চলছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে 'ভিওডি বাংলা' কে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের নতুন অতিরিক্ত উপ- কমিশনার (এডিসি) এন এম নাসির উদ্দিন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আওতাধীন এলাকায় ডিএমপি বা সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৭১০টি এবং 'ল অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটির মাধ্যমে- অর্থাৎ গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক বাড়ি মালিকদের সংগঠন বা সরাসরি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ২০০টি ক্যামেরা স্থায়ীভাবে পরিচালিত হচ্ছে এখন পর্যন্ত।
স্থায়ী ক্যামেরার পাশাপাশি বিভিন্ন বড় উৎসব বা আয়োজনে অস্থায়ী ক্যামেরাও বসানো হয় উল্লেখ করে এডিসি বলেন, "পহেলা বৈশাখ, একুশে ফেব্রুয়ারি বা ২৬ মার্চের মতো ইভেন্টগুলো কেন্দ্র করে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী সিসি ক্যামেরা স্থাপন করি। যেমন, পহেলা বৈশাখে প্রায় পৌনে দুইশ’ ক্যামেরা অস্থায়ীভাবে বসিয়েছিলাম।"
ক্যামেরা নষ্ট বা বিকাল হওয়ার বিষয়ে এই কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষে ক্যামেরাগুলোর অ্যাক্সেস থাকায় কোনোটিতে ত্রুটি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গেই নজরে আসে। নষ্ট বা বিকল হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই মেরামত বা পরিবর্তন করে দ্রুত নজরদারির বৈধ ব্যবস্থা চালু করা হয়।
অপরাধ দমনে সিসি ক্যামেরার ভূমিকা তুলে ধরে এডিসি নাসির উদ্দিন বলেন, " যে কোনো ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে সিসি ক্যামেরা দারুণ কাজ করছে। কন্ট্রোল রুম থেকে আমরা যখনই কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখি, তাৎক্ষণিক সেখানে রেসপন্স টিম পাঠিয়ে দেই।"
‘মূলত চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও মারামারি রোধের পাশাপাশি রাজধানীর যানজট নিরসনেও এই সিসি ক্যামেরাগুলোর ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ডিএমপি কার্যকর ভূমিকা রাখছে’, বলে জানান এডিসি নাসির।
ভিওডি বাংলা/আরআর/আরকেএইচ







