জাতীয় মানষিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে কর্মকর্তাদের যোগসাজসে টেন্ডার পাচ্ছে ফ্যাসীবাদের দোসররা

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতাল , শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাতজ্বর হাসপাতাল এবং পঙ্গু হাসপাতালসহ আরো কিছু হাসপতালের মেডিসিন ক্রয়ের টেন্ডার পাচ্ছে বনানী মেডিকেল স্টোর ও আলেয়া কর্পোরেশন নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। ২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক তারিখ হাসান জামিল কাজল এবং ওই এলাকার এমপি আসাদুজ্জামান খান কামাল এর ছত্রছায়ায় গত ১০ বছর যাবৎ অনিয়মের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার দেয়া হচ্ছে উক্ত প্রতিষ্ঠান দুটিকে।

স্বাস্থ্য খাতের মাফিয়া চক্রের মূল হোতা দুর্নীতি দমন কমিশনের তালিকা ভুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান "বনানী মেডিক্যাল স্টোর" ও "আলেয়া কর্পোরেশন। দলীয় প্রভাব কাজ লাগিয়ে অন্য কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে টেন্ডারে অংশ গ্রহণের সুযোগ না দিয়ে উক্ত হাসপাতালগুলোতে দুর্নীতি করে আসছে এরা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মেডিসিন ক্রয়ে মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট হাসপাতালে সদ্য প্রকাশিত টেন্ডারে ফ্যাসীবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত উল্লেখিত ঠিকাদারি পরতিষ্ঠান বিভিন্ন ভাবে টাকার প্রলোভন ও ভয় ভীতি দেখিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানে টেন্ডার এর কাজ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। উক্ত কাজে হাসপাতালে চাকুরীরত কিছু অসাধু ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগের দোসর হিসাবে পরিচিত কর্মকর্তারা উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানকে টাকার বিনিময়ে কাজ টেন্ডার পাইয়ে দিচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা যায় যে ,সদ্য প্রকাশিত টেন্ডারে আরেক আওয়ামী লীগের দোসর ও ৫ আগস্ট পূর্ববর্তী গণ হত্যায় অংশগ্রহণ কারি খুলনা বাগেরহাটের মাফিয়া শেখ সেলিম এর নির্বাচনী কাজে অর্থ যোগানদাতা এবং স্বাস্থ্য খাতের আরেক মাফিয়া সিন্ডিকেট এর হোতা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কোম্পানী মেশার্স হারুন এন্টারপ্রাইজ। আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাব ও সিন্ডিকেট কাজে লাগিয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানে মেডিসিন ক্রয় সংক্রান্ত টেন্ডারে প্রভাব খাটানোর মাধ্যমে কাজ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
এছাড়া বনানী মেডিকেল স্টোর এবং আলেয়া কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।
আর এইসব কাজে সরাসরি জড়িত হাসপাতালের কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং সিন্ডিকেট।
খবর নিয়ে জানা যায় ,উক্ত প্রতিষ্ঠানে এখনো আওয়ামী লীগের দালাল দের সিন্ডিকেট এর দৌরাত্ম্য বিরাজ করছে।
আওয়ামী দোসররা এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুর্নীতির স্বর্গ রাজ্য গড়ে তুলেছে। যার প্রমান জাতীয় মানষিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটসহ রাজধানীর এই হাসপাতালগুলো। এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে স্বাস্থ্য খাত বাচানো সম্ভব হবে না।







