প্রথমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, গার্ড অব অনার প্রদান

শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক সচিবালয় নবান্নে অফিস করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার (১১ মে) সকাল থেকেই নবান্নকে ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যস্ততা, নতুন সরকারের কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিন হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে পুরো পরিস্থিতি।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িবহর নবান্নে পৌঁছায়। এর আগে সকালে কলকাতার চিনার পার্কের বাসা থেকে তিনি সল্টলেকে দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতে যান। সেখানে প্রায় ২৫ মিনিট একান্ত বৈঠক করেন দু’জন।
সেখান থেকে শমীক ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে সকাল ১০টার কিছু পর সল্টলেকে বিজেপির কার্যালয়ে পৌঁছান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তাকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে, উত্তরীয় পরিয়ে এবং শঙ্খ বাজিয়ে স্বাগত জানানো হয়। দলীয় কার্যালয়ে তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। পরে ২০৭টি পদ্মফুল দিয়ে তৈরি বিশাল মালা পরিয়ে তাকে বরণ করা হয়। সেখানে দলীয় সাংগঠনিক পর্যায়ে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠকও করেন তিনি।
এরপর সেখান থেকে সরাসরি হাওড়ার নবান্নে যান মুখ্যমন্ত্রী। কিছুক্ষণ পরই সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে নবান্নের প্রধান ফটকের সামনে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। পরে মুখ্য সচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা, স্বরাষ্ট্র সচিব সংঘমিত্রা ঘোষ, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ ফুলের স্তবক দিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান।
এদিন শপথ নেওয়া আরও পাঁচজন মন্ত্রীও সকালে নবান্নে উপস্থিত হন।
নতুন সরকারের প্রথম দিনেই নবান্নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সূচি রয়েছে। প্রথম বৈঠকে পাঁচজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী অংশ নেবেন—দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামানিক, অশোক কীর্তনিয়া ও ক্ষুদিরাম টুডু। সেখানে আটকে থাকা কেন্দ্রীয় প্রকল্পসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
এরপর বিকেল ৫টায় রাজ্য পুলিশের ডিজি, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা), বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
ভিওডি বাংলা/এমএস







