এখনো ইরানের ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র অক্ষত

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দীর্ঘ সময় যুদ্ধের পরেও ইরান এখনো প্রায় ৭৫ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান এবং ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ধরে রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) একটি গোপন বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে এ সংক্রান্ত
নথি হস্তান্তর করা হয়।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ইরান বিষয়ক গোপন মূল্যায়নগুলো প্রায়ই প্রশাসনের প্রকাশ্য বিবৃতির চেয়ে বেশ সংযত হয়ে থাকে। এসব প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েক সপ্তাহের তীব্র হামলার পরও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অক্ষুণ্ন রয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি এমনটা জানিয়েছেন।
একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বিভিন্ন প্রমাণ বলছে, ইরান ভূগর্ভস্থ প্রায় সব সংরক্ষণাগার পুনরুদ্ধার ও আবার চালু করতে পেরেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মেরামত করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর সময় প্রায় প্রস্তুত থাকা কিছু নতুন ক্ষেপণাস্ত্রও তারা এখন নিজেদের অস্ত্রভান্ডারে যুক্ত করেছে।
গত বুধবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প অবশ্য আশাবাদী চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ‘প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে’। তাদের হাতে সম্ভবত ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এটা খুব বেশি নয়।
বর্তমান তিনজন ও একজন সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা গোয়েন্দা বিশ্লেষণের মূল বিষয়গুলো দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় তাঁরা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।
বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চললেও এবং ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব পর্যালোচনার কথা জানালেও, সিআইএ-র এই গোপন রিপোর্ট প্রমাণ করে যে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের ময়দান ট্রাম্প প্রশাসনের বর্ণনার চেয়েও অনেক বেশি জটিল এবং অমীমাংসিত।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু







