কৃষক কার্ডে অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী

কৃষকদের কল্যাণে সরকারের উদ্যোগ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন আইনমন্ত্রী—কৃষক কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা রাজনৈতিক প্রভাবের সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর গ্রামে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, কৃষক কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে না।
মন্ত্রী আরও জানান, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তা জনগণের অর্থ থেকেই আসে এবং সেগুলো প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছেই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তাই এখানে অনিয়মের সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, শৈলকুপায় ১ হাজার ৬৭৯ জন কৃষকের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে, যা প্রকৃত কৃষকদের তালিকার ভিত্তিতেই সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে এবং কাউকে বাদ দেওয়া হবে না।
সরকারের কৃষি খাতের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সারা দেশে খাল খনন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। কৃষকদের উন্নয়নে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংসদে বিরোধীদলের কণ্ঠরোধের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাস্তবে বিরোধীদল নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় পাচ্ছে।
এর আগে, দুপুর দেড়টার দিকে শৈলকুপার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কৃষক কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
ভিওডি বাংলা/এমএস







