পরীমণি’র গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যুতে যা বললেন আশফাক নিপুণ

বিনোদন ডেস্ক
রাজধানী ঢাকার নিকটস্থ জেলা টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে একটি প্রসাধনীর দোকানের উদ্বোধন করার কথা ছিল ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণির। সেখানে তার যাওয়ার কথা শুনেই শুরু হয় বিতর্ক। একাংশ মানুষ অবস্থান নেন বিপরীতমুখী। একপর্যায়ে সেই অনুষ্ঠানে যাওয়া হয় না এ নায়িকার।
এ ঘটনায় শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরীমণি। এরইমধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেটিজেনরা। আবার রোববার (২৬ জানুয়ারি) ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে।
এদিকে পরীমণির সঙ্গে ঘটা এ ঘটনায় মোটেও ভালোভাবে নেননি নির্মাতা আশফাক নিপুণ। অন্তর্বর্তী সরকারকে কাজের সরকার হতে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়েছেন ‘মহানগর’ সিরিজ খ্যাত এ নির্মাতা।
এদিন বেলা তিনটার দিকে আশফাক নিপুণ লিখেছেন, ‘মবের প্রতিবাদের মুখে পরীমণির দোকান উদ্বোধন করতে না পারার ক্ষোভ উদগীরণের পরপরই তার বিরুদ্ধে দায়ের করা পুরনো মামলায় হাজিরা দিতে না যাওয়ায় গ্রেপ্তারের আদেশ জারি বড়ই কাকতালীয়, সরকার।’
তিনি লিখেছেন, ‘আবার সাজাপ্রাপ্ত দাগী আসামি সবার জামিনে বের হয়ে ত্রাস সৃষ্টি করা মোটেও কাকতালীয় না। ঠিক যেমন আদিবাসীদের ওপর সভেরন্টি গ্রুপের হামলাও কাকতালীয় না, আবার নারী অভিনেতাদের তথাকথিত “মব”র প্রতিবাদের মুখে শোরুম উদ্বোধন করতে না পারাও এখন আর কাকতালীয় না।’
সবশেষ এ নির্মাতা লিখেছেন, ‘কাকতালীয় বা অকাকতালীয় কোনো সরকারই হইয়েন না জনাব সরকার; কাজের সরকার হন। “মব” ঠেকান। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের কুশীলবদের ধরার ব্যবস্থা করেন। নাহলে আপনাদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়াও কাকতালীয় হবে না।’
প্রসঙ্গত, পরিচালক আশফাক নিপুণ নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় দেশের সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে কথা বলে থাকেন। অর্থাৎ, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজের মতামত জানিয়ে থাকেন। গত জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার পক্ষে বেশ সরব ছিলেন। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরও সরব এই নির্মাতা।
ভিওডি বাংলা/ এমএইচপি







