বিএনপির নেতা পরিচয়ে নীলক্ষেত বই মার্কেটে চাদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর নীলক্ষেত প্রিমিয়ার বুক সেন্টার নামে ব্যবসা করে আসছেন সোহাগ মির্জা। রোববার ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে সোহাগ মির্জী জানান, তিনি দীর্ঘদিন যাবত প্রিমিয়ার বুক সেন্টারে ব্যবসা করে আসছেন। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি ২০০২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চলমান রয়েছে। আশেপাশে ব্যবসায়ীদের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। রোববার বিকাল বেলা নীলক্ষেত একটি মার্কেটে নিচে বসে চা খাওয়ার সময় নিউমার্কেট থানা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক খান মনির নামে একজন মাদক ব্যবসায়ী তার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। এছাড়াও পূর্বেও তার কাছ থেকে চাঁদা দাবি করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। চাঁদা না দিলে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না এমন হুমকি দেওয়া হয়।
চাঁদা চাওয়ায় ভুক্তভোগী নিষেধ করলে পিস্তল ঠেকিয়ে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়ে তাকে।এ ছাড়াও বড় মাপের ইট নিয়ে মারতে ওঠেন তাকে। সে সময় ভুক্তভোগী বলে ওঠেন তারেক রহমানের নির্দেশ মাদক মুক্ত বাংলাদেশ। একথা শোনার সাথে সাথেই অতর্কিতভাবে হামলা করা হয় তার ওপর ছাড়াও সেই মুহূর্তে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী জানান এখন সে জীবন নিয়ে সংশয় ভুগছেন । তিনি বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপির নীতি নির্ধারকের কাছে তার জীবনের নিরাপত্তা চান।
ভুক্তভোগী সোহাগ মির্জা পরিবারে ২টি সন্তান রয়েছে প্রাননাশের হুমকি পাওয়ার পর থেকেই তিনি জীবন নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন। বিএনপি'র পরিচয় দেওয়া খান মনির মূলত একজন মাদক ব্যবসায়ী। এছাড়া তার একজন ভাই রয়েছেন যিনি বিগত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ এর একজন পলাতক নেতা। যার নাম খান রুবেল। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে খান রুবেল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতেন।
ভুক্তভোগী বলছেন, মনির মাদক ব্যবসায়ী এছাড়াও অন্যান্য অপকর্মের সাথে জড়িত রয়েছেন।
ভিওডি বাংলা/ জিতু/ এমএইচ







