কিশোরীকে মদ পান করিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

ভারতের দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) বাড়ি থেকে ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে মদের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে অচেতন করে হোটেলে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে এক তরুণীসহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট হোটেলের ম্যানেজারকেও।
ভুক্তভোগী ছাত্রী পশ্চিম বর্ধমানের বুদবুদ থানা এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বর্তমানে সে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৬ জুন) বুদবুদ এলাকারই পরিচিত এক তরুণী ফোন করে ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর ওই তরুণী তিন যুবকের সঙ্গে একটি গাড়িতে করে তাকে নিয়ে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার এলাকার একটি হোটেলে ওঠে। সেখানে জোর করে তাকে মদ পান করানো হয়। এতে সে বেহুঁশ হয়ে পড়লে ওই তিন যুবক তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কিশোরীকে বুদবুদ বাইপাসের ধারে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ এক অটোরিকশাচালক তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারকে খবর দেন।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ রোববার (৭ জুন) সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়।
আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার প্রণব কুমার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মূল ষড়যন্ত্রকারী ওই তরুণীসহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হোটেলের ম্যানেজারকে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটকদের পুলিশি হেফাজতে চেয়ে সোমবার (৮ জুন) দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু







