• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু, তদন্ত কমিশন গঠনের নোটিশ নৌপথের পুরনো ঐতিহ্য ফেরাতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ: ডিএসসিসি প্রশাসক জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসী দুঃসাহসের পেছনে কারা, তদন্তে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চলে গেলেন গণসংগীতশিল্পী কামরুদ্দীন আবসার ধর্মের নামে রাজনীতি ও অপপ্রচার জনগণ পছন্দ করে না: রিজভী জঙ্গল সলিমপুরে কারাগার বানাবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজ শেষে দেশে ফেরা শুরু, এবার ৩৭ জনের মৃত্যু ঈদ ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের স্রোত তামাক ও নিকোটিনের ক্ষতি থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

বিলুপ্তির পথে জোনাকি পোকা

লাইফস্টাইল    ৩১ মে ২০২৬, ০৩:৩৬ পি.এম.
রাতের অন্ধকারে মিটিমিটি আলো ছড়ানো জোনাকি-যার উপস্থিতি এখন অনেক এলাকায় বিরল হয়ে উঠছে। ছবি: সংগৃহীত

আঁধার রাতের প্রকৃতিতে মিটিমিটি আলো ছড়িয়ে শৈশবের স্মৃতিকে জীবন্ত করে তোলা জোনাকি পোকা হয়তো আগামী প্রজন্মের কাছে শুধু গল্প হয়েই থেকে যাবে। বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ বলছে, পৃথিবীজুড়ে দ্রুত হারে কমে যাচ্ছে এই আলোকোজ্জ্বল নিশাচর পতঙ্গের সংখ্যা।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা (আইইউসিএন) এবং বিভিন্ন দেশের কীটতত্ত্ববিদদের গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের তৈরি নানা পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে জোনাকির অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশেষ করে অতিরিক্ত কৃত্রিম আলো, কৃষিতে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহার এবং বনাঞ্চল ধ্বংসকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জোনাকির জীবনচক্র টিকে থাকে মূলত আর্দ্র, ছায়াঘেরা পরিবেশে। স্যাঁতসেঁতে মাটি, ঘন ঝোপঝাড় এবং বনাঞ্চল তাদের প্রজনন ও বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু দ্রুত নগরায়ণ, অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও বন উজাড়ের ফলে এসব প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রমেই সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতের শহরগুলোতে কৃত্রিম আলোর আধিক্য জোনাকিদের প্রাকৃতিক সংকেত ব্যবস্থাকে ব্যাহত করছে। তারা যে রাসায়নিক আলোর মাধ্যমে সঙ্গীকে আকৃষ্ট করে, সেই প্রক্রিয়া আলো দূষণের কারণে দুর্বল হয়ে পড়ছে। ফলে প্রজনন হার কমে যাচ্ছে এবং ধীরে ধীরে তাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

বাংলাদেশেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। একসময় গ্রামাঞ্চল, ধানক্ষেত ও নদীর ধারে জোনাকির ঝলমলে আলো সহজেই দেখা যেত। কিন্তু এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই অতীত। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে প্রায় সম্পূর্ণভাবে জোনাকির উপস্থিতি হারিয়ে গেছে। বর্তমানে সীমিতভাবে চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের কিছু পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে এদের দেখা মেলে।

পরিবেশবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন, শিল্পায়ন এবং কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। জোনাকির সংখ্যা কমে যাওয়া তারই একটি স্পষ্ট উদাহরণ।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ অনুযায়ী জোনাকিকে বিপন্নপ্রায় প্রজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে তাদের সংরক্ষণে আইনগত সুরক্ষা থাকলেও বাস্তবে সচেতনতা ও কার্যকর উদ্যোগ এখনও পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।  

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বাজারে গিয়ে ভালো আম চিনবেন যেভাবে
বাজারে গিয়ে ভালো আম চিনবেন যেভাবে
দই ও চানাচুর একসাথে খাওয়া কি নিরাপদ?
দই ও চানাচুর একসাথে খাওয়া কি নিরাপদ?
অ্যাংজাইটি কি শুধু অতিরিক্ত চিন্তা, নাকি মানসিক অসুস্থতার সংকেত?
অ্যাংজাইটি কি শুধু অতিরিক্ত চিন্তা, নাকি মানসিক অসুস্থতার সংকেত?