শাহ আলী মাজারে হামলার ঘটনায় ৩ জন গ্রেপ্তার

মিরপুরের হজরত শাহ আলী (র.) মাজারে হামলার ঘটনায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মাজারের নিয়মিত দর্শনার্থী রেসমি বেগম শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যায় শাহ আলী থানায় মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার।
তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার সংঘটিত হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন— আলী আকবর, বাপ্পা, বাবু, কাউসার, আজম, শেখ রাসেল, কাজী জহির, মিজান এবং কাজী পনির। তারা সবাই শাহ আলী থানা এলাকার বাসিন্দা।
গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে রাসেল ও আজম মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আরমান দেওয়ানকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে শাহ আলীর মাজারে যাতায়াত করেন। গত ১৪ মে দিবাগত রাতে জিয়ারত ও মানতের সময় একদল ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে মাজারে ঢুকে জিয়ারতকারী ও মানতকারীদের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা মাজারের গাছে বাঁধা লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলে, মোমবাতির প্লেট ভাঙচুর করে এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।
বাদীর দাবি, হামলা ঠেকাতে গেলে তাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়। একপর্যায়ে লাঠির আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।
উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার বলেন, “মামলার বিষয়ে আমরা কাজ করছি। ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
ভিওডি বাংলা/আ







