আরও ৩ শতাধিক নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দিলেন

রাজনীতির মাঠে নিজেদের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর প্রচেষ্টায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও পেশাজীবী অঙ্গনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগ দিয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নেতাদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্বশীল নেতাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। আরও উপস্থিত ছিলেন- আব্দুল্লাহ আল মনসুর, যুগ্ম সদস্য সচিব শাহরীন ইরা, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক রাফিদ এম ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে যোগদানকারী নতুন নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দলের নেতারা। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দলটির নেতারা জানান, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এনসিপির কার্যক্রমে আগ্রহ প্রকাশ করছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাফিদ এম ভূঁইয়া বলেন, দেশের তরুণ সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ এবং পেশাজীবীদের মধ্যে এনসিপির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। তিনি জানান, উত্তরার প্রায় ১০০ জন পোশাকশ্রমিকও শিগগিরই দলটিতে যোগ দেবেন। তারা এনসিপির সহযোগী শ্রমিক সংগঠন ‘জাতীয় শ্রমিক শক্তি’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করবেন।
দলটির নেতারা দাবি করেন, এনসিপি একটি অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এজন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের চেষ্টা চলছে। নতুনদের অন্তর্ভুক্তি সেই প্রচেষ্টারই অংশ বলে উল্লেখ করেন তারা।
এদিন যারা এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, চাকরিজীবী এবং সামাজিক সংগঠকরা। যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্স বৃহত্তর মিরপুর জোনের আহ্বায়ক ডা. আশিকুর রহমান শুভ, আপ বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সেক্রেটারি নাকিবুর রহমান, করপোরেট কর্মকর্তা মোজাহিদ রেজানূর, নারী উদ্যোক্তা ডা. আরিফা বিনতে মাসুদ, টেলিভিশন সাংবাদিক ফরিদ মিয়া, প্রভাষক দিলশাদ উর্মি এবং সফটওয়্যার ডেভেলপার শিবলী নোমান।
এ ছাড়া আরও যোগ দিয়েছেন ফিজিওথেরাপিস্ট নাজমুন নাহার লাইজু, মোহাম্মদপুর উন্নয়ন ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদ পারভেজ টিপু, গণঅধিকার পরিষদের তুরাগ থানার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল উদ্দীন খান, যুব অধিকার পরিষদের নেতা সাইয়েদ আহমদ শরীফ, উদ্যোক্তা তারেক মনোয়ার, গ্রাফিক ডিজাইনার মাইন উদ্দিন, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বেনজির মুন্নি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক সংগঠক।
ভিওডি বাংলা/জা







