নেত্রকোণায় ১ সপ্তাহ পর রোদ, ধান শুকাতে মাঠে ব্যস্ত কৃষক পরিবার

একটানা এক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমি পানিতে তলিয়ে যায়। এতে প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমির পাকা ধান ক্ষতির মুখে পড়ে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে ঝলমলে রোদ উঠায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন কৃষক-কৃষাণীরা।
রোদ উঠতেই মাঠে নেমে পড়েছেন কৃষকরা। এতদিন পানির নিচ থেকে ধান কেটে তুললেও রোদ না থাকায় তা মাড়াই ও শুকানোর সুযোগ ছিল না। ফলে ভেজা ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছিল তাদের। এখন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দ্রুত ধান মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
কৃষকরা জানান, সময়মতো ধান শুকাতে না পারলে মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সরকার ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু করলেও ভেজা ধান বিক্রি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
তাদের দাবি, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও যদি শুকনো ও ভেজা-দুই ধরনের ধান কিনতেন, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হতো। বিশেষ করে হাওর পাড়ের শত শত কৃষক পরিবার এখনো আতঙ্কে রয়েছেন-আবারও বৃষ্টি বা বন্যা দেখা দিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
এদিকে জেলার নদ-নদীর পানির স্তর এখনো বিপদসীমার ওপরে রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত উব্দাখালী নদীর পানি কলমাকান্দা পয়েন্টে ০.৪০ মিটার, ধনু নদী খালিয়াজুড়ি পয়েন্টে ০.১৪ মিটার এবং কংশ নদী জারিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ০.৫০ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ভিওডি বাংলা/একে এম এরশাদুল হক জনি/জা







