দুবাইয়ে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের সম্পদের পাহাড়, অভিষেক-নিমরত প্রেম

ঘটনা ২০১৫ সালের। দুবাইয়ে বাড়ি কিনেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিনেতা অভিষেক বচ্চন দম্পতি। দুবাইয়ের জুমেইরা গলফ এস্টেটে এই বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে তাদের।
এদিকে বেশ কিছু দিন ধরে ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক দম্পতির বিচ্ছেদ সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ সমালোচনা যেন থামছেই না। একসময়ের শীর্ষ অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া, যার রূপে ও গুণে ঘায়েল ছিল লাখো তরুণ-যুবক। তার সংসার এখন ভাঙনের মুখে। জানা গেছে, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে মোটেই বনিবনা হচ্ছে না। আবার শোনা যাচ্ছে, তৃতীয় ব্যক্তির আগমন। অভিষেকের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক অভিনেত্রী নিমরত কৌরের। এদিকে অভিষেক খুলে ফেলেছেন বিয়ের আংটি। এমন সমালোচনার মাঝেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তারা, গত কয়েক দিন ধরে এই জল্পনা বলিউডে আরও জোরালো। পরোক্ষভাবে বিচ্ছেদের নানা ইঙ্গিত প্রকাশ্যে এলেও এখনো এই গুঞ্জন নিয়ে নীরব তারকা দম্পতি। প্রায় ১৭ বছরের দাম্পত্য ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের। একসঙ্গে সংসার গুছিয়ে রেখেছিলেন তারা। দুবাইয়েও স্বপ্নের মতো সাজিয়েছিলেন নিজেদের বাড়ি।
আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে দুবাইয়ে বাড়ি কিনেছেন ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক। দুবাইয়ের জুমেইরা গলফ এস্টেটে তারকা দম্পতির এই বিলাসবহুল বাড়ি। এ বাড়ির দামও আকাশছোঁয়া। এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, এই বাড়ির দাম ১৬ কোটি টাকা। বাড়িতে রয়েছে উন্নত মানের সুইমিংপুল। রান্নাঘরও তৈরি উন্নতমানের প্রযুক্তি দিয়ে। তবে বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হলো— হোম থিয়েটার। দুবাইয়ের এই একই এলাকায় বাড়ি রয়েছে শাহরুখ খান, শিল্পা শেঠি, অনন্ত আম্বানিদেরও। প্রায় পাশাপাশি অবস্থিত এই বাংলোগুলো। যার ফলে প্রত্যেকের সম্মিলিত একটি গলফ খেলার মাঠ ও বাগান রয়েছে।
বাড়ি ও জমি কেনাই বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম বলে মনে করেন ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক। তাই শুধু দুবাইতে নয়, মুম্বাইয়েও বিলাসবহুল আবাসনের অধিকারী বচ্চন দম্পতি। ‘জলসা’র পাশাপাশি এ বাড়িতেও সংসার গুছিয়ে নিয়েছিলেন তারা।







