• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

নূর আলীর অর্থপাচারের হাতিয়ার বোরাক রিয়েল এস্টেট

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৮ মে ২০২৬, ০২:১৮ পি.এম.
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর বনানী এলাকায় সরকারি জমিতে নির্মিত ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে চুক্তি লঙ্ঘন, অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ নূর আলী ও তার প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেড’র বিরুদ্ধে। 

১৪ তলার অনুমোদন নিয়ে ২৮ তলা ভবন নির্মাণ এবং সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ পরিচালনার মাধ্যমে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা অর্থ হাতানোর অভিযোগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) বনানী থানায় এই মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। যা তদন্ত করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ।

শুক্রবার (৮ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এসব তথ্য জানান।

এ বিষয়ে নূর আলী ও বোরাক রিয়েল এস্টেটের বক্তব্য জানার চেষ্টা করছে ভিওডি বাংলা ডটকম। 

সিআইডির অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না করে এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে (ডিএনসিসি) প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানো হয়। এর মাধ্যমে সরকারি সম্পদ ব্যবহার করে বাণিজ্যিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকি ও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে মামলায়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে সিআইডি বলছে, অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা অবৈধভাবে আয় করেছেন। পরে সেই অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করা হয়েছে বলেও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সিআইডি জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালে বেদখলকৃত সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হলে লন্ডারকৃত অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটনে তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আশির দশকে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে নূর আলীর ব্যবসায়িক উত্থান ঘটে। গেল চার দশকে আবাসন, জ্বালানি, হোটেল ও হসপিটালিটি, হাসপাতাল, কৃষি, শিক্ষা, আর্থিক খাত, প্রযুক্তি, মিডিয়াসহ নানা খাতে তিনি ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটিয়েছেন।

মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে প্রতারণার মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে নূর আলীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে গত বছরের সেপ্টেম্বরে গুলশান থানায় একটি মামলা করেছে সিআইডি। যার তদন্তও চলমান আছে।

ভিওডি বাংলা/এমআই/আরআর/এসআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
চীন সর্বদা বাংলাদেশের পাশে থাকবে : রাষ্ট্রদূত ইয়াও
চীন সর্বদা বাংলাদেশের পাশে থাকবে : রাষ্ট্রদূত ইয়াও
নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
জাতিসংঘ ফোরাম নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
যেসব এলাকায় বাড়তে পারে তাপমাত্রা, বৃষ্টির শঙ্কা
যেসব এলাকায় বাড়তে পারে তাপমাত্রা, বৃষ্টির শঙ্কা