সোমবার দেশে ফিরবেন মির্জা ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
সহধর্মিনী রাহাত আরা বেগমসহ নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সমাপ্ত হওয়ায় আগামী সোমবার দেশে ফিরবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমকে একথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ আমাদের দুইজনেরই সবগুলো রিপোর্টের রেজাল্ট গুড। আপনার ভাবীর অবস্থা ভালো। উনি সুস্থ ও ভালো আছেন।”
‘‘ ইনশাল্লাহ ১৪ এপ্রিল বিকালে আমরা দুইজনই দেশে ফিরবো।”
গত ৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম সিঙ্গাপুরের যান। ফেসবুকে নিজের সহধর্মিনী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে ভাইরাল হওয়া স্ট্যাটাসটি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘‘ আমি ফেসবুকে কোনো স্ট্যাটাস দেয়নি।”
ফেসবুকে ২০২২ সালে কারাবন্দি থাকা অবস্থায় স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের অসুস্থতা এবং অস্ত্রোপচার নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস প্রকাশিত হয়েছে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
ফেসবুকটি মূলত মির্জা ফখরুল ইসলামের নামে ভেরিফাইড করা আছে। তিনি নিজে এটি পরিচালনা করেন না।
সহধর্মীনির যখন প্রথম রোগ ধরা পড়ে তখনকার মানসিক অবস্থা ও স্ত্রীর অস্ত্রোপচারের সময় কারাগারে থাকার আবেগঘন সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করেছেন ফেসবুকের সেই পোস্টে ইংরেজীতে যা বাংলায় হুবহু তুলে ধরা হলো।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে যখন আমার স্ত্রীর রোগ ধরা পড়ে, তখন আমার ওপর পৃথিবী ভেঙে পড়ে। সে আমাদের পরিবারের সবকিছু। আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিই। তার অস্ত্রোপচারের ঠিক আগের দিন, ভোর ৩টায় আওয়ামী পুলিশ আমাকে আমার বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। আমার মেয়ে ছুটে গেল ঢাকায়।
আমার স্ত্রীর অস্ত্রোপচারের সময় আমি কারাগারে ছিলাম। আমার মেয়ে এবং ডাক্তার জাহিদ ছাড়া আর কেউ হাসপাতালে ছিলেন না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন এবং আমার ভাইবোনেরা ফোনে খোঁজখবর নিচ্ছিলেন।
আমার স্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য এবং মুখে হাসি নিয়ে সবকিছু সামলেছেন, কেবল তার কঠিন চিকিতসার বছরগুলোই নয়, প্রায় ৫০ বছর ধরে আমরা পারিবারিকভাবে যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েছি তাও সহ্য করেছেন।
আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিঙ্গাপুরে তার ডাক্তার বলেছেন যে, এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক মনে হচ্ছে। তবে, আমাদের ছয় মাসের মধ্যে আবার এখানে ফিরে আসতে হবে।
আপনার দোয়া এবং শুভকামনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
ইংরেজী পোস্ট :
When my wife’s disease was diagnosed in December 2022, my world fell apart. She is the rock of our family. I decided to proceed with her surgery as soon as possible.
Just the day before her surgery, I was taken from my home at 3 a.m. by the Awami police. My daughter rushed to Dhaka. While my wife was having her surgery, I was in jail. Nobody was in the hospital except my daughters and Dr Jahid. Our acting chairperson and my siblings were following up over phone.
My wife handled everything with utmost patience and a smile on her face, enduring not only the years of her difficult treatment but also the challenges we have faced as a family for almost 50 years.
Alhamdulillah, today her doctor in Singapore said that so far, everything looks good. However, we will need to return in six months.
I am grateful for your prayers and well wishes.
ভিওডি বাংলা/ এমএইচপি







