• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুলাই আন্দোলনে ত্যাগের প্রশ্নে কোনো আপস নয়: মামুনুল হক ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প অপরাধ দমনে যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ১৯ প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক দূরদর্শিতায় বিশ্বমঞ্চে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ ইসরায়েলি সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য ৮৯ মরদেহ ‘বিক্রি’ করেছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় কুয়েত বিমানবন্দরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা, বন্ধ ফ্লাইট চলাচল পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি ছয় মাসের মধ্যে চালু হবে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিটি নাগরিকের কথা চিন্তা করেই বাজেট হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী জাপানের মিতসুই অ্যান্ড কোং প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক দূরদর্শিতায় বিশ্বমঞ্চে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ

মেহেদী সৌরভ    ৩ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পি.এম.
ছবি: আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) দিয়ে তৈরী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়া শুধু একটি ব্যক্তিগত অর্জন নয় বরং এটি একটি কৌশলগত রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের বাস্তব ফলাফলও এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ক্ষমতাসীন (বিএনপি) নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ মহল মনে করছে, এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সেই “স্ট্র্যাটেজিক ডিপ্লোমেসি অ্যাপ্রোচ” যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিকে নতুন গতিপথ দিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই অর্জনের পেছনে তিনটি প্রধান বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, স্বল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং প্রার্থী ড. খলিলুর রহমানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং দেশটি বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

পেছনের রাজনৈতিক পাঠ

ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হয়েছিল এমন এক সময়ে, যখন বৈশ্বিক কূটনীতিতে আস্থা, মধ্যস্থতা এবং বহুপাক্ষিক নেতৃত্বের চাহিদা দ্রুত বাড়ছিল।

সরকারি নীতিনির্ধারণী মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত ছিল তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে:

১. কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক

২. বহুপাক্ষিক আলোচনায় দক্ষতা

৩. সংকটকালীন আলোচনায় ভারসাম্য রক্ষার সক্ষমতা

এই তিনটি দিকই শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা: বিশ্বমঞ্চে জয় 

জাতিসংঘের সদরদফতরে অনুষ্ঠিত ভোটে ড. খলিলুর রহমান ১৯০ ভোটের মধ্যে ৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ছিলেন সাইপ্রাসের এক অভিজ্ঞ কূটনীতিক।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ভোট ফলাফল কেবল ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা নয় বরং একটি “আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণের পুনর্বিন্যাস”।

বিশ্বমঞ্চে জয়: প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

মঙ্গলবার (২ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, তিনি গর্বের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপক্ষীয় ও অভিন্ন সংকট মোকাবেলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা গড়ে তুলবেন। এই নতুন দায়িত্বে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।’

বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশের নতুন বার্তা

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা যদি কূটনৈতিক বাস্তবতায় বিবেচনা করা হয়, তবে এটি বাংলাদেশের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তৈরি করে:

১. বহুপাক্ষিক নেতৃত্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি

২. মধ্যম আকারের রাষ্ট্র হয়েও বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা

৩. কূটনৈতিক নিয়োগে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার গুরুত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা

এই সাফল্যকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক মহল মনে করছেন, বাংলাদেশ এখন আর কেবল অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র নয় বরং বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তারকারী একটি উদীয়মান কণ্ঠস্বর।

ভিওডি বাংলা/এমএস/জা 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
জাপানের মিতসুই অ্যান্ড কোং প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
জাপানের মিতসুই অ্যান্ড কোং প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
চুরি হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার
চুরি হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার