ছয় মাসের মধ্যে চালু হবে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

দেশের পাঁচটি বিভাগে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাসপাতালগুলো উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী ও কুমিল্লায় ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার টেন্ডার ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি জানান, প্রতিটি হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হবে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে হাসপাতালগুলো উদ্বোধন করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে প্রায় এক হাজার ৪৭৫ জন জনবল প্রয়োজন হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। জনবল অনুমোদনের পর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক কোড নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বাড়াতে এক হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ প্রকল্পের টেন্ডার শিগগিরই আহ্বান করা হবে।
এছাড়া ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতালের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো অপসারণ করে সেখানে নতুন হাসপাতাল অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, চীনের অর্থায়নে বাংলাদেশে পাঁচটি এক হাজার শয্যার বিশেষায়িত নারী হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের পাঁচটি বড় শহর বা শহরসংলগ্ন এলাকায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এসব হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। চলতি অর্থবছরেই প্রকল্পটির কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে আরও আধুনিক, সেবাবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
ভিওডি বাংলা/আ







