• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
কারও ব্যক্তিগত বিরুদ্ধে কটূক্তি বা চরিত্রহনন গ্রহণযোগ্য নয় : আতিকুর রহমান রুমন অন্তর্বর্তী সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো ৭ সদস্যের ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দুর নতুন আইন, ৯ বাংলাদেশি আটক দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের যাত্রীদের জিম্মি করে বাড়তি ভাড়া আদায়, ছদ্মবেশে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী রাজধানীতে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন তেলের দাম ইরানে গ্যাস শোধনাগারে বিস্ফোরণ তিনজনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৮ ‘মূল্যস্ফীতি নেমেছে ৮.৭১ শতাংশে, তেলের সরবরাহও স্বাভাবিক’

ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা গরু চেনার উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক    ২৫ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির ঈদ এলেই দেশের পশুর হাটগুলোতে বেড়ে যায় গরু কেনাবেচার ব্যস্ততা। এই সময় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় গরুকে স্টেরয়েড, হরমোন বা বিভিন্ন ক্ষতিকর ইনজেকশন দিয়ে অস্বাভাবিকভাবে মোটাতাজা করে। বাইরে থেকে এমন গরু দেখতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এর মাংস মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব গরুর মাংস খেলে লিভার ও কিডনির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

চিকিৎসক ও প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাটে গিয়ে ইনজেকশন দেওয়া গরু চেনার কয়েকটি সহজ উপায় নিচে তুলে ধরা হলো—

১. আঙুল দিয়ে চাপ দিয়ে দেখুন

কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরুর শরীরে অনেক সময় অতিরিক্ত পানি জমে থাকে। এটি বোঝার সহজ উপায় হলো গরুর শরীরের মাংসল অংশে আঙুল দিয়ে চাপ দেওয়া।

গরুর পিঠ বা রানের অংশে জোরে চাপ দিলে যদি জায়গাটি দেবে যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় নেয়, তাহলে সেটি সন্দেহজনক হতে পারে। সুস্থ গরুর মাংস সাধারণত শক্ত ও টানটান থাকে। চাপ দিলে দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

২. আচরণ লক্ষ্য করুন

স্টেরয়েড বা হরমোন দেওয়া গরু অনেক সময় ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে তাদের আচরণেও অস্বাভাবিকতা দেখা যায়।

এ ধরনের গরু সাধারণত বেশি অলস থাকে, ঠিকভাবে হাঁটতে চায় না এবং অল্পতেই হাঁপিয়ে যায়। অনেক সময় মাথা নিচু করে ঝিমাতে দেখা যায়। চোখও ঘোলাটে বা ক্লান্ত দেখাতে পারে।

অন্যদিকে সুস্থ গরু তুলনামূলক চঞ্চল হয়। আশপাশে মানুষ দেখলে সাড়া দেয়, কান ও লেজ নেড়ে স্বাভাবিক আচরণ করে।

৩. অস্বাভাবিক ফোলা ও অতিরিক্ত লালা

ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগের কারণে অনেক গরুর শরীর অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায়। বিশেষ করে উরু, রান, থুতনি বা প্রস্রাবের রাস্তার আশপাশের অংশ অতিরিক্ত ফোলা দেখা যেতে পারে।

এ ছাড়া কিছু গরুর মুখ থেকে নিয়মিত লালা বা ফেনা পড়তে দেখা যায়, যা অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে।

যে কারণে সতর্ক থাকা জরুরি?

প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত স্টেরয়েড বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা গরুর মাংস মানুষের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এমন পশু দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

গরু কেনার সময় যা করবেন

সম্ভব হলে অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা পরিচিত খামারিকে সঙ্গে নিন। গরুর দাঁত, চোখ ও হাঁটা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। পরিচিত ও বিশ্বস্ত খামার বা বিক্রেতার কাছ থেকে কেনার চেষ্টা করুন। কেনার আগে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট গরুর আচরণ পর্যবেক্ষণ করুন।

ভিওডি বাংলা/বিন্দু 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
অ্যাংজাইটি কি শুধু অতিরিক্ত চিন্তা, নাকি মানসিক অসুস্থতার সংকেত?
অ্যাংজাইটি কি শুধু অতিরিক্ত চিন্তা, নাকি মানসিক অসুস্থতার সংকেত?
প্রস্রাবের যেসব উপসর্গে লুকিয়ে থাকে ক্যানসারের সংকেত
প্রস্রাবের যেসব উপসর্গে লুকিয়ে থাকে ক্যানসারের সংকেত
প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাসেই মিলতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা
প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাসেই মিলতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা