• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
কারও ব্যক্তিগত বিরুদ্ধে কটূক্তি বা চরিত্রহনন গ্রহণযোগ্য নয় : আতিকুর রহমান রুমন অন্তর্বর্তী সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো ৭ সদস্যের ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দুর নতুন আইন, ৯ বাংলাদেশি আটক দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের যাত্রীদের জিম্মি করে বাড়তি ভাড়া আদায়, ছদ্মবেশে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী রাজধানীতে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন তেলের দাম ইরানে গ্যাস শোধনাগারে বিস্ফোরণ তিনজনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৮ ‘মূল্যস্ফীতি নেমেছে ৮.৭১ শতাংশে, তেলের সরবরাহও স্বাভাবিক’

সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন

অন্তর্বর্তী সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো ৭ সদস্যের ‘কিচেন ক্যাবিনেট’

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ২৫ মে ২০২৬, ০৬:৪০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত সাত সদস্যের ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ থেকে আসত। এই ক্যাবিনেট প্রতি মঙ্গলবার বৈঠক করতো।

সোমবার (২৫ মে) একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, তার মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল। এ কারণে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তবে তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা নেই। তারপরও তাদের মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হতো। কারণ উচ্চ পর্যায়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। আমি সরে আসার চিন্তা তিনবার করেছি; তারা অনুরোধ করেছে যে সরকারের জন্য খুবই অস্বস্তিকর হবে।

নিজের প্রত্যাশার একটা বড় অংশই পূরণ হয়নি বলে জানান সাবেক এ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কোনো এক উপলক্ষে কিচেন ক্যাবিনেটের একটা বৈঠকে আমাকে যেতে হয়েছিল, যমুনাতে। পরে আমি জেনেছি যে প্রতি মঙ্গলবার তারা বসেন। সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ, এ ধরনের কথাবার্তা শোনা যেত। আমার কানেও আসত। কিন্তু এর বাইরে আসলে আমার জানা ছিল না যে এ রকম একেবারে একটা গ্রুপ আছে, যারা নিয়মিত বসে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য!

ভোটের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তার সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন তৌহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এতে সামান্যতমও যুক্ত ছিল না। এটাতে যুক্ত ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ)। কোনো কারণ হয়তো ছিল পেছনে, যে জন্য আমরা বাধ্য ছিলাম। কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলে সই করার বিষয়টা নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই যথাযথ হতো।

দায়িত্ব নিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি লিখলেও তা যে কাজে আসবে না, সেটা জানতেন তৌহিদ হোসেন।

বিএনপি সরকার নিয়ে এখনই মূল্যায়ন করতে নারাজ এই কূটনীতিক। বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীন-ভারতকে সামলানোই তারেক রহমানের বড় চ্যালেঞ্জ।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ‘ডিপ স্টেট’ সক্রিয় ছিল কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ডিপ স্টেট পৃথিবীতে সব ঘটনার সঙ্গেই জড়িত থাকে। ডিপ স্টেট যুক্ত হয়, তবে স্রোতের বিপক্ষে নয়; তারপর তারা সেটিকে ম্যানিপুলেট করে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে তৌহিদ হোসেনের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে একেবারে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এ রকম থাকবে না। আমি মনে করি তারা রাজনীতিতে ফিরে আসবে এবং আমার অনুমান আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নেবে।

ভিওডি বাংলা/এফএ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭০ জন
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭০ জন
এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা হবে না : কৃষিমন্ত্রী
এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা হবে না : কৃষিমন্ত্রী
হাম ও উপসর্গে আরো ১৭ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে আরো ১৭ শিশুর মৃত্যু