চকবাজারের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১

ঢাকার চকবাজার এলাকায় সংঘটিত আলোচিত ইউনূস (৪০) হত্যা মামলার এক প্রধান আসামিকে নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। যৌথ অভিযানে র্যাব-১০ ও র্যাব-১১ এর সদস্যরা নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার মাইজদী এলাকা থেকে মো. সাহাবুদ্দিন (৩৫) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করে।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাহিনীটি দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্রবাজি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।
শুক্রবার (২১ মে) তারিখ রাত আনুমানিক ৯টা ৫ মিনিটে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল এবং র্যাব-১১ এর সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন করা হয় বলে জানায় র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত মো. সাহাবুদ্দিন নোয়াখালীর সুধারাম থানার বিষনুকা গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত শফিকুল ইসলাম ফরাজীর সন্তান। তার বিরুদ্ধে ডিএমপি ঢাকার চকবাজার থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে, যা মামলা নম্বর ৯ এবং তারিখ ১৬ মে ২০২৬।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চকবাজার এলাকার দেবিদাসঘাট এলাকায় ভাঙারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ইউনূস (৪০) জীবিকা নির্বাহ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, একই এলাকার “খুরশীদ প্লাস্টিক” নামের একটি প্লাস্টিক ওয়েস্টেজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইউনূসকে টার্গেট করা হয়। পরবর্তীতে মো. সাহাবুদ্দিনসহ কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে মারধর করে।
ঘটনার দিন, ১৫ মে সকাল আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে ভিকটিমকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। মারধরের ফলে ইউনূস গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
পরবর্তীতে নিহত ইউনূসের মা চকবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ হত্যা মামলা রুজু করে। তদন্তে আসামিদের শনাক্ত করা হলে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এবং পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালায়।
এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সূত্রের মাধ্যমে মো. সাহাবুদ্দিনের অবস্থান নোয়াখালীতে শনাক্ত করা হয়। পরে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভিওডি বাংলা/জা







