• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

ইবিতে সিনিয়র-জুনিয়র বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৬

ইবি প্রতিনিধি    ১৮ মে ২০২৬, ০৩:০৫ এ.এম.
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কথা কাটাকাটি ও বাগবিতণ্ডার জেরে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরও।

রোববার (১৭ মে) বিকাল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুমতি বাসে প্রথমে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারধর ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনায় জড়িত হিসেবে লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সাইমুন আহাম্মেদ হৃদয়, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের জিহাদ এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অন্তর বিশ্বাসের নাম জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝিনাইদহগামী একটি বাসে বায়োটেকনোলজি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী যাচ্ছিলেন। এসময় বাসে থাকা লোকপ্রশাসন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী উচ্চস্বরে গান-বাজনা ও কথাবার্তা বলছিলেন। এতে বিরক্ত হয়ে এক শিক্ষার্থী তাদের শান্ত হতে বললে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে জিহাদ অন্তর বিশ্বাসের গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে অন্তর হৃদয়কে ধাক্কা দিলে হৃদয় তাকে মারধর করেন। বাসে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়।

পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে পৌঁছালে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মারধরের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান আহত হন। এসময় ইইই বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও হাতাহাতি ও বাগবিতণ্ডার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া লোকপ্রশাসন বিভাগের কিছু শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের জানালা ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, তাদের সহপাঠীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং হুমকিও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রথম ঘটনার জন্য তারা সমাধানের উদ্যোগ নিলেও পরে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

এ বিষয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফখরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, উভয় বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

ভিওডি বাংলা/আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে চীন সফরে ডাকসুর ১৫ নেতা
সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে চীন সফরে ডাকসুর ১৫ নেতা
বিচারের দাবিতে জাবি প্রক্টর কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের তালা
বিচারের দাবিতে জাবি প্রক্টর কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের তালা