• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

মেধা লালন করেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১২ মে ২০২৬, ১২:১৪ পি.এম.
ঢাবিতে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মেধা পাচার রোধ করে মেধা লালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সময়োপযোগী শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই।  

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তারেক রহমানের প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর।

আরও পড়ুন: ঢাবিতে ইউজিসির কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা অত্যন্ত জরুরি। প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো কারিকুলাম নতুনভাবে সাজানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তার ভাষ্য, শুধু মুখস্থনির্ভর বা পুঁথিগত শিক্ষা দিয়ে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়। গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে হবে। অন্যথায় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেশের অবস্থান আরও পিছিয়ে পড়তে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে কাঙ্ক্ষিত অবস্থান অর্জন করতে না পারার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, গবেষণায় বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনী চর্চা বাড়ানো না গেলে উচ্চশিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাডেমিক ডিগ্রির পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে পিছিয়ে থাকায় দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সরকার শিক্ষাক্রমকে আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের মেধা ও সম্ভাবনা বিকাশের সমান সুযোগ পাবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু পরীক্ষাভিত্তিক না রেখে বাস্তবজীবন ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা অর্জনের পথে এগোলেও দেশের সামাজিক, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ গঠনে তরুণ সমাজের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিক বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মামুন। এতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষাবিদরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম বদরুজ্জামান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন খান।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
এনবিআর সংস্কার ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী
এনবিআর সংস্কার ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী
সব ৫০ শয্যার হাসপাতাল ১০০ শয্যায় উত্তীর্ণ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সব ৫০ শয্যার হাসপাতাল ১০০ শয্যায় উত্তীর্ণ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫২৩৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী
সৌদিতে পৌঁছেছেন ৫২৩৩৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী