ডিএসসিসি অভিযান
বালিশ, লেপ, তোশক, কাঁথা- কী নেই কুতুবখালী খালে?

দখল ও দূষণে মৃতপ্রায় কুতুবখালী খালে পাওয়া যাচ্ছে লেপ, তোশক, কাঁথা ও বাসাবাড়ির নানা বর্জ্য। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রাবাড়ী ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা।
দখলে-দূষণে মৃতপ্রায় যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল। একটু বৃষ্টিতেই খাল উপচে পানি জমে আশপাশের সড়ক ও অলিগলিতে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে এলাকাবাসী। কুতুবখালী খালটি পরিণত হয়েছে ময়লার ভাগাড়ে। লেপ, তোশক, কাঁথা, বালিশ– কী নেই খালে? বাসা-বাড়ির আবর্জনা, পরিত্যক্ত জিনিসপত্র সব ফেলা হচ্ছে খালের মধ্যে।
পানি নিষ্কাশন ও জলবদ্ধতার কারণ খুঁজতে বৃষ্টির পরই তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। পরিষ্কার করতে গিয়ে খালে পাওয়া যায় কাঁথা, বালিশসহ বাসা-বাড়ির নানা বর্জ্য।
ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বলেন, ‘তোশক, বালিশ, খ্যাতা, পলিথিন পাই খাল পরিষ্কার করার সময়। সব রাতের আঁধারে এখানে ফেলাই দেয়। আমরা দীর্ঘদিন কাজ করি, কাজের কোনো মূল্য পাই না।’
বৃষ্টি হলেই কুতুবখালী, জুরাইনসহ জনবহুল এসব এলাকার মানুষকে পোহাতে হয় ভোগান্তি। এমন পরিস্থিতির জন্য নিজেদেরই দুষছে স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সচেতনতার অভাব তো রয়েছে। ময়লার বিল দেওয়া এড়াতে যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে অনেকে। যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
সিটি করপোরেশনও বলছে, জনসচেতনতা ও সাধারণের সহযোগিতা ছাড়া এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মাহাবুবুর রহমান তালুকদার বলেন, ‘জরিমানাই সমাধান না। আমরা উনাদের নোটিশ দিয়ে অনুরোধ জানাব ময়লা না ফেলার জন্য। নারায়নগঞ্জের পাশও পরিষ্কার থাকতে হবে। সবাই মিলে সমন্বিতভাবে কাজ করলে সমস্যা অনেকাংশে কমবে।’
নিয়মিত খাল ও ড্রেন পরিস্কার করা হলেও যত্রতত্র ময়লা ফেলায় সুফল মিলছে না, দাবি ডিএসসিসির।
ভিওডি বাংলা/এসআর







