এখনই সময় অসভ্যতাকে না বলার: মুশফিক

সচিব পদমর্যাদায় মেক্সিকোতে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করা এবং বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত মুশফিকুল ফজল আনসারী সামাজিক আচরণ, নৈতিকতা ও অসহিষ্ণুতা নিয়ে একটি মন্তব্যপূর্ণ ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে ভেরিফাইড ফেসবুকে এ পোস্ট করেন।
“ব্যবহারে বংশের পরিচয়” কথাটিকে পুরোনো হলেও নির্মোহ সত্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু মানুষের ভাষা, আচরণ ও মানসিকতা এমন এক অন্ধকারের ইঙ্গিত দেয়, যেন আধুনিকতার মুখোশ পরে সমাজ জাহেলিয়াতের ছায়ায় হাঁটছে। সংখ্যায় তারা কম হলেও সোশ্যাল মিডিয়ার কোলাহলে তাদের কণ্ঠই সবচেয়ে উচ্চস্বরে প্রতিধ্বনিত হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, এই বিষাক্ত আচরণ শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, বিদেশেও বাংলাদেশের একটি অসহিষ্ণু ও অস্থির সমাজের চিত্র তুলে ধরছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাম্য সালিশ পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে এক ধরনের অসুস্থ আগ্রাসন, অশ্রদ্ধা ও উগ্রতা দেখা যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুযোগে একটি গোষ্ঠী বিকৃত তথ্য ছড়ানো, নোংরা ফটোকার্ড তৈরি এবং গুজব রটিয়ে চরিত্রহননে লিপ্ত রয়েছে। সামান্য বাধাপ্রাপ্ত হলেই তারা কল্পকাহিনি ছড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও লেখেন, সমাজে ঝগড়া এখন অনেকের কাছে বিনোদনে পরিণত হয়েছে, রগচটা আচরণকে কেউ কেউ ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখছে, আর বিশৃঙ্খলাকে সাহসের নতুন সংজ্ঞা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে।
নারীর মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে পুরুষ “শালীনতা”র কথা বললেও তাদের ভাষা অশালীন হয়ে উঠছে, আবার কোথাও নারীরাও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। তিনি ইঙ্গিত করেন, ইজ্জত-আব্রু নারী-পুরুষ সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
তিনি বলেন, সময় এখনই আইনি সংস্কারের পাশাপাশি সমাজের মন-মানসিকতার সংস্কার এবং অসভ্যতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার।
ভিওডি বাংলা/সবুজ/আ







