হাসনাত আব্দুল্লাহ:
ভোট ডাকাতির চেষ্টা হলে পালানোর জায়গা পাবেন না

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি কেউ ভোট ডাকাতির চেষ্টা করে, কালো টাকা ব্যবহার করে বা জনগণের ভাগ্য নিয়ে খেলতে চায়-তাহলে তাদের পালানোর কোনো জায়গা থাকবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এবার আর আগের মতো নির্বাচন নয়, জনগণ জেগে উঠেছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার সরকারি কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে ভোট ডাকাতির জন্য পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ঘুষ দিতে হতো। এসপির জন্য আলাদা বরাদ্দ, ওসিকে খাম, এসআইকে টাকা এবং ভোটের আগের রাতে কনস্টেবল পর্যন্ত খাম পাঠানোর সংস্কৃতি চালু ছিল। তিনি বলেন, “এবার যদি কেউ কালো টাকা স্পর্শ করেন বা ভোট ডাকাতির চেষ্টা করেন, তাহলে জনগণই তার জবাব দেবে।”
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি সরকার পরিবর্তনের নির্বাচন নয়, এটি রাষ্ট্র কাঠামো বদলের নির্বাচন। আগামী ১০০ বছর বাংলাদেশ কোন পথে চলবে, প্রশাসন কেমন হবে, পুলিশের আচরণ কেমন হবে এবং বিচার বিভাগ কতটা স্বাধীন হবে-সবকিছুই এই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “এই নির্বাচন স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তির নির্বাচন। আমরা শুধু শেখ হাসিনার পরিবর্তন চাইনি, হাসিনা কাঠামোরও পরিবর্তন চেয়েছি। স্বৈরতন্ত্রের অবসান ঘটাতে চাই।” যারা ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বাড়ি থেকে দোয়া নিয়ে বের হবেন, কিন্তু দখলের চেষ্টা করলে বাড়ি ফিরে যেতে পারবেন না।”
তিনি দাবি করেন, জনগণের নিরাপদ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এনসিপি ও ১১ দলীয় জোট মাঠে থাকবে। কোনোভাবেই ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করতে দেওয়া হবে না।
এ সময় এনসিপি মনোনীত প্রার্থী এসএম সাইফ মোস্তাফিজের হাতে দলীয় প্রতীক ‘শাপলা কলি’ তুলে দেওয়া হয়। নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খানসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ভিওডি বাংলা/জা







