{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক উত্থানের নাটকীয় অধ্যায় ধর্মীয় মনীষীদের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে: আবদুস সালাম পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা আমাদের অগ্রাধিকার মা দিবসে বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন ববিতা শিক্ষার্থীদের ‘গ্লোবাল সিটিজেন’ হিসেবে গড়তে চায় সরকার: মাহদী আমিন হামে শিশুমৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে সরকার: স্বাস্থ্যসচিব জেনারেল মাসুদ সরিয়েছে আড়াই বিলিয়ন ডলার মমতাকে আনফলো করল কলকাতা পুলিশ, ফলো তালিকায় মোদি-শুভেন্দু জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারে পক্ষপাত নয়: চিফ প্রসিকিউটর ক্যাবল অপারেটরদের যৌক্তিক সমস্যার সমাধান করবে সরকার: প্রযুক্তিমন্ত্রী

ডা. এজাজুল ইসলাম শৈশবের গল্প:

লবণ ছাড়া পান্তা খেয়েছিলেন দৈনন্দিন নাস্তা হিসেবে

বিনোদন ডেস্ক    ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:০০ পি.এম.
ডা. এজাজুল ইসলাম -ছবি-ভিওডি বাংলা

দর্শকনন্দিত অভিনেতা ও চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম তার জীবনের একটি বিশেষ দিক নিয়ে সম্প্রতি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত থাকলেও তার জীবন অতিরিক্ত টাকার নেশা বা বিলাসিতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সততা ও সাধারণ জীবনধারার কারণে মানুষের কাছে তিনি সুখ্যাত।

পর্দায় হাসিখুশি চরিত্রে দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে তার জীবন সংগ্রামের। ছোটবেলায় খাদ্যাভাব ও দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে তাকে। ডা. এজাজ জানিয়েছেন, শৈশবে মাসে প্রায় ১০–১২ দিন সকালের নাস্তা ছিল শুধুই পান্তা ভাত। তিনি বলেন, “আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা করে। এখন ডায়াবেটিসের কারণে খুব কম খাই। তবে তখন লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম। খাবারের অভাব ছিল অনেক।”

ডা. এজাজ জানান, ছোটবেলায় পান্তা ভাত খাওয়ার অভ্যাসে তিনি অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন। “শুটিং স্পটে আজও মাঝে মাঝে পান্তা খাই। বাসায় কেউ পান্তা খেতে চায় না, তাই শুটিংয়ে গেলে সুযোগ মতো খাই। সম্প্রতি আফজাল ভাইয়ের কাজে আমি সকালবেলা পান্তা খেয়েছি,” তিনি বলেন।

ছোটবেলার দিনগুলোতে পান্তার সঙ্গে কাঁচামরিচ ও কাঁচা পেঁয়াজ মেখে খাওয়া ছিল তার প্রিয় অভ্যাস। তবে তখন লবণ পাওয়া মুশকিল ছিল। তিনি স্মৃতিবদ্ধ করে বলেন, “লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম। এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। খাবারের অভাব ছিল তীব্র।”

ডা. এজাজ জানান, দাদি ও মা তিন দিন পরপর গ্রামের ছোট বাজারে যেতেন। তিনি এক টাকা করে হাতে পেতেন, যা দিয়ে তিন দিনের সবজি কিনত। নদীর পাড়ে থাকা বাড়ির কারণে মাছের অভাব ছিল না। “নদীতে মাছ ধরতাম, প্রচুর মাছ খেতাম। তবে অন্য খাবারের অভাব তখনও ছিল,” তিনি স্মৃতিচারণ করেন।

অভিনেতা উল্লেখ করেছেন, তার শৈশবের এই অভিজ্ঞতাগুলো তাকে জীবনে সততা ও বাস্তবতার শিক্ষা দিয়েছে। অতিরিক্ত টাকার প্রলোভন তাকে কখনো আকৃষ্ট করেনি। এ কারণে মানুষের কাছে তিনি সবসময়ই প্রিয় ও বিশ্বাসযোগ্য।

ডা. এজাজুল ইসলামের এই গল্প শুধু তার শৈশবের সংগ্রামকেই তুলে ধরে না, বরং আমাদেরকে ছোট ছোট আনন্দের মূল্য বোঝায়। পান্তা ভাতের মতো সাধারণ খাবারও যখন আন্তরিক ভালোবাসা ও অভ্যস্ততার সঙ্গে খাওয়া হয়, তখন তা স্মৃতির এক অংশ হয়ে যায়।

শৈশবের অভাব ও সংগ্রামের মধ্যেও তার পরিবার সবসময় চেষ্টা করেছে সঠিকভাবে খাওয়ানোর। “আমাদের ছোট বাজার থেকে সবজি কিনে তিন দিন চলে যেত। নদীর পাড়ে মাছ ছিল, তাই মাছের অভাবটা ছিল না। খেয়াল আছে, ছোটবেলায় মাছ ধরতাম,” তিনি জানান।

ডা. এজাজের জীবনকাহিনী প্রমাণ করে, যে কেউ সাদামাটা ও পরিশ্রমী জীবনযাপন করেও মানুষের কাছে প্রিয় ও সফল হতে পারে। অভিনয় ও চিকিৎসা, উভয় ক্ষেত্রেই তার সততা ও পরিশ্রম তার পরিচয় বহুগুণিত করেছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, শৈশবের অভিজ্ঞতা তাকে আজও প্রভাবিত করে। খাদ্যাভাব, লবণ ছাড়া পান্তা ভাত, পরিবারের সীমিত সম্পদ—এসব স্মৃতি তাকে জীবনে সহজ ও সততাপূর্ণ জীবনযাপনে উৎসাহিত করেছে।

ডা. এজাজুল ইসলাম তার জীবনকাহিনী দিয়ে সকলকে শিখিয়েছেন, যে কোনো প্রাপ্তি বা সুখই বেশি হলে অর্থবহ নয়; সততা, স্বাভাবিক জীবনধারা এবং ছোট ছোট আনন্দই জীবনের আসল সম্পদ।

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
দুবাইয়ের মঞ্চে একসঙ্গে জায়েদ খান ও নুসরাত ফারিয়া
দুবাইয়ের মঞ্চে একসঙ্গে জায়েদ খান ও নুসরাত ফারিয়া
আরিফিন শুভকে নিয়ে তিশার আবেগঘন প্রশংসা
আরিফিন শুভকে নিয়ে তিশার আবেগঘন প্রশংসা
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নাজিফা তুষির ‘অ্যানি’
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নাজিফা তুষির ‘অ্যানি’