এই মুহুর্তে যদি নামি; নেমে যেতে হবে- গয়েশ্বর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আমরা আন্দোলন করেছি, সেদিন একজন (অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টা) বললেন; অবশ্য বয়স কম এমন কথা বলাটাই স্বাভাবিক- রাজনীতিবিদরা নাকি এই সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। অথচ বাচা-ধন এই মুহুর্তে যদি নামি; নেমে যেতে হবে। কিন্তু আমি তো সেটা চাই না। আমি চাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আপনারা এসেছেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপনাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
সোমবার ১৬ ডিসেম্বর খুলনায় মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে মহান বিজয়দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিজয় র্যালীর পূর্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সভাপতিত্ব করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা। বক্তব্যে দেন বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বকুল প্রমুখ।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, শেখ মুজিব দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় নাই; এই ব্যাপারে কারো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নাই। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ২৭শে মার্চ এক ভাষণের মধ্যে দিয়ে যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন যার সমাপ্তি হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর। পেলাম বাংলাদেশ, স্বাধীন দেশ, স্বাধীন পতাকা ও জাতীয় সংগীত। কিন্তু যে কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধ তার ফসল পায়নি জনগণ। যদি পারতাম তাহলে স্বাধীনতার আগে-পর থেকে সংগ্রাম-লড়াই করে যাচ্ছি। এই স্বাধীন দেশে অনেক ভাই জীবন দিলো। অনেক মা তার সন্তান হারিয়েছেন। স্বাধীনতার ৫৩ বছর ধরে অনেক মায়ের সন্তান হারার আহাজারি শুনতে পাই।
তিনি বলেন, আমাদের অনেক ভাই গুম হয়ে গেছে তাদের আমরা এখনো পাচ্ছি না। স্বাধীন দেশে আমরা মা বোনেরা এখনো তাদের সম্ভ্রম হারাচ্ছে। এখনো খুন হচ্ছে; শুধু ৫ আগস্ট ঘিরে আন্দোলনে দুই হাজার লোক শহীদ হয়েছে ছাত্র-জনতা-কিশোর-কিশোরী।
প্রসঙ্গত গতকাল মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে ব্রিটিশ গ্লোবাল পার্টনার্স গভর্ন্যান্স (জিপিজি)–এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো চাচ্ছে তাদের অধীনে সংস্কার হোক। তাই তারা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। তারা সংস্কারের পরিবর্তে নির্বাচনকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।







