• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রতিমন্ত্রী হাবিব বৃষ্টিভেজা সিলেটে স্ত্রীর হাত ধরে পথচলা, নেটদুনিয়ায় প্রশংসা সম্মিলিত উদ্যোগেই উন্নত হবে ময়মনসিংহের ছয় জেলা: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলোচনায় বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন পুনর্গঠন, দাবি উঠেছে স্বাধীন কমিশনের ছাত্র-জনতা দেশের মানুষকে আবার স্বাধীন করেছে : প্রধানমন্ত্রী ডিসি সম্মেলন, আলোচনায় যেসব প্রস্তাব ইরাকে আবার ফ্লাইট চালু করছে কাতার এয়ারওয়েজ বাবার সামনে স্কুলছাত্রী অপহরণ: আসামি লামিন কারাগারে জয়ের আশা জাগিয়ে শ্রীলঙ্কার কাছে ৩ রানে হারল বাংলাদেশ ইয়েমেন উপকূলে তেলবাহী জাহাজ ছিনতাই

নগর ভবনে থমকে আছে নাগরিক সেবা

   ২৮ মে ২০২৫, ০৯:৪৫ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানোর দাবিতে গত ১৫ মে থেকে টানা আন্দোলন করছেন তার সমর্থকরা। এর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মচারীর একাংশ। ফলে ভেতর-বাইরের আন্দোলনে স্থবির ডিএসসিসর প্রায় সব কার্যক্রম।

প্রধান ফটকসহ সব বিভাগের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়ায় থমকে আছে ঢাকা দক্ষিণের নগর ভবন। সেবা নিতে আসা শত শত নাগরিক ফিরে যাচ্ছেন খালি হাতে। জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স প্রধানসহ সব ধরনের সেবা থেকে বঞ্চিত নগরবাসী। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো নগরবাসী।

ভোগান্তিতে পড়া সেবা প্রত্যাশীরা বলছেন, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ সব ধরনের নাগরিক সেবা। নগর ভবন অবরুদ্ধ করে বা নাগরিক সেবা বন্ধ রাখা কারও ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উপায় হতে পারে না।

বুধবার (২৮ মে) সকালে নগর ভবনে জন্মনিবন্ধনের জন্য নগর ভবনে আসেন রিফাত আব্দুল্লাহ নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, গত তিন দিন ধরে আমি জন্মনিবন্ধনের জন্য নগর ভবনে আসছি। কিন্তু আন্দোলনকারীদের জন্য আমি আমার প্রাপ্য সেবাটুকু পাচ্ছি না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি যদি সময়মতো আমার সেবাটুকু না পাই তাহলে এ নগর ভবনের কি প্রয়োজন?

আন্দোলনকারীরা বলছেন, নাগরিক সেবায় যে ধরনের ভোগান্তি তৈরি হয়েছে তার দায় স্থানীয় সরকারের। কারণ স্থানীয় সরকারের টালবাহানায় আদালতের রায়ের পরেও ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানো হচ্ছে না।

আন্দোলনে অংশ নেয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, ইশরাকের পক্ষে আদালত থেকে দুই দফা রায় আসার পরও টালবাহানা করে তাকে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে না। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মো. জিল্লুর রহমান বলেন, আমাদের সব কার্যক্রম বন্ধ এটি পুরোপুরি সত্য নয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে। এছাড়া যেসব কাজ জনগুরুত্বপূর্ণ, সেগুলো সচিবালয়ে বসেই পরিচালনা করছি।

প্রধান ফটক এবং বিভাগগুলো তালাবদ্ধ রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে সিইও বলেন, ঢাকাবাসীর ব্যানারে এসে কতিপয় আন্দোলনকারী তালা দিয়েছে। সেখানে হয়তো কিছু কর্মচারী জড়িত থাকতে পারে। তবে অফিসিয়ালি আমাদের এ রকম কোন সিদ্ধান্ত নেই।

তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশনগুলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। সেই বিধান অনুযায়ী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই ধরনের কর্মসূচি অসদাচরণের পর্যায়ে পড়ে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। সে সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক হোসেন।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গেল ২৭ মার্চ ঢাকার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল সেই নির্বাচনী ফল বাতিল করে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করে। এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাককে ডিএসসিসি মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তাকে যেন শপথ পড়ানো না হয় সেজন্য গত ১৪ মে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত ১৫ মে থেকে আন্দোলন নামেন ইশরাক সমর্থকরা।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ


  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
৫৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দেশে এলো দুই জাহাজ
৫৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দেশে এলো দুই জাহাজ
নিজের অধিকার নিজেকেই অর্জন করতে হয়: আবদুস সালাম
নিজের অধিকার নিজেকেই অর্জন করতে হয়: আবদুস সালাম
ফের পুরোদমে চালু হচ্ছে ভারতের ভিসা
ফের পুরোদমে চালু হচ্ছে ভারতের ভিসা