সম্মিলিত উদ্যোগেই উন্নত হবে ময়মনসিংহের ছয় জেলা: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমরা সকলে মিলে—চলুন না বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছয়টি জেলাকে সমৃদ্ধ করি। যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সে ততটুকু অবদান রাখলে এই অঞ্চল নিঃসন্দেহে উন্নত হবে।
শনিবার (২ মে) রাতে রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ যুব সমিতির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও অভিষেক-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ছোট-বড় সকলের সম্মিলিত অবদানই পারে একটি অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের মানুষ হিসেবে নিজেদের পরিচয়কে ধারণ করে কাজ করলে উন্নয়ন স্বাভাবিকভাবেই ত্বরান্বিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, বক্তৃতার চেয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি মিলিত হওয়াই তার কাছে বেশি আনন্দের। “আমি আপনাদের মাঝে এসেছি বৃহত্তর ময়মনসিংহের একজন সন্তান হিসেবে। আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে, একসঙ্গে সময় কাটাতে ভালো লাগছে,”—যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল থেকেই ময়মনসিংহ একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল ছিল। বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে ছয়টি জেলায় বিভক্ত হলেও ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার দিক থেকে এই অঞ্চল এখনও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা যে যেখানে থাকি না কেন, যদি এই অনুভূতি আমাদের মধ্যে থাকে যে আমরা বৃহত্তর ময়মনসিংহের সন্তান, তাহলে এই অঞ্চলের উন্নয়নে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবদান রাখব।”
সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মঞ্চে থাকা বা না থাকা—সবাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই ভবিষ্যতে আরও বড় ও সফল আয়োজন সম্ভব হবে।
সবশেষে তিনি উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চলুন আমরা সবাই ভালো থাকি এবং একসঙ্গে কাজ করে বৃহত্তর ময়মনসিংহকে একটি সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করি।
ভিওডি বাংলা/এমএস







