• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

নেত্রকোণা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী রিমি

   ১৪ মার্চ ২০২৫, ০৮:২১ পি.এম.

নেত্রকোণা প্রতিনিধি

নেত্রকোণা জেলা পৌর শহরের মোক্তার পাড়া এলাকায় ১৯৮৪ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর  জন্মগ্রহন করেন ফারদিন চৌধুরী রিমি। তার পিতা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাতা উম্মে জহুরা। ২ বোন ৩ ভাইয়ের মধ্যে ৩য় সন্তান রিমি। তাঁর পড়াশোনার হাতে খড়ি হয় আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে পঞ্চম শ্রেণী পাস করে আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে ২০০০ সালে এস.এস.সি পাশ করেন। পরবর্তীতে আবু আব্বাস ডিগ্রী মহাবিদ্যালয় হতে এইচ.এস.সি পাশ করেন।

রিমি উচ্চ মাধ্যমিকে পড়াকালীন সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতি আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত হয়ে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু করেন। অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নেত্রকোণা জেলা ছাত্রদলের  সহ সভাপতি পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হয়ে দলের নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছেন।

ফারদিন চৌধুরী রিমি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহুবার জেল জুুলুম, হামলা মামলা হুলিয়া নির্যাতন সহ্য করেছেন। কারাবরণ করেছে ৪ বার। ১ম বার ৩৩ দিন ২য় বার ৩৯ দিন ৩য় বার ৪৪ দিন শেষ বার ১০০ দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসাার শিকার হয়ে ১৩ টি মামলার আসামী হয়েছেন তিনি। এজন্য বহুবার এলাকা ছাড়া হয়ে ফেরারী জীবন যাপন করতে হয়েছে। ঢাকার রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা কৃষিবীদ সানোয়ার আলম এর সাথে গ্রেপ্তার হয়ে ৩ দিনের রিমান্ড  ১০০ দিন কেরানীগঞ্জ কারাগারে থাকার সেই দূর্বিসহ জীবনের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে ফারদিন চৌধুরী রিমি বলেন-মানুষের কল্যাণে ও দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করতে গিয়ে জীবনে যে জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছি সে কথা মনে হলে আজও গাঁ শিউরে উঠে।

তিনি বলেন-যতদিন বেঁছে আছি, ততদিন জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবো। আমার দাদা খোরশেদ চৌধুরী নেত্রকোণা জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন; পিতা মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী নেত্রকোণা জেলা যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সাবেক আহবায়ক নেত্রকোণা জেলা মুক্তিযোদ্ধা দল, সাবেক কমান্ডার নেত্রকোণা জেলা মুক্তিযোদ্ধা দল, নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি বিএনপির  তৎকালীন সময়ে জাগদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাই পারিবারিক সূত্রেই বিএনপির রাজনীতির রক্তের সঙ্গে মিশে রয়েছে। 

অতীতের কথা বলতে গিয়ে ফারদিন চৌধুরী রিমি জানান, ২০২৩ সালের ২৫ শে  ফেব্রুয়ারী কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিতে প্রতিবাদী মিছিল করতে গিয়ে পুলিশের ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হয়ে পায়ে এবং শরীরে প্রাপ্ত  হই। 

রিমি বলেন- আমি নেত্রকোণা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী; দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে এবং যদি হতে পারি নেত্রকোণা জেলা যুবদলকে একটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত  আধুনিক যুবদল হিসেবে গড়ে তুলব। আর যদি নাও হতে পারি আমি যতদিন বেঁচে আছি ততদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী হিসেবে সেবায় থেকে নিজেকে নিয়োজিত রেখে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চাই।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মোহনগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা, তরুণী আটক
মোহনগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা, তরুণী আটক
নাগেশ্বরীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
নাগেশ্বরীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
কাঁকনহাট রেল স্টেশনে র‍্যাম্প নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
রাজশাহী কাঁকনহাট রেল স্টেশনে র‍্যাম্প নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন