কৃষি দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: শ্রমমন্ত্রী
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে কৃষির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, দেশের কৃষি খাতকে আরও আধুনিক ও টেকসই করতে নতুন প্রজন্মের কৃষিবিদদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। প্রযুক্তিনির্ভর ও বিজ্ঞানসম্মত কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১, সেমিস্টার-১-এর নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষি গবেষণা এবং দক্ষ কৃষিবিদ তৈরিতে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। কৃষি শিক্ষার্থীদের শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণের সুযোগ রয়েছে। তাই উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনী কাজে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কেবল একাডেমিক পাঠে সীমাবদ্ধ নয়। এই সময় নেতৃত্বের গুণাবলি, মানবিক মূল্যবোধ এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। শিক্ষার্থীদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শও দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। উপাচার্য বলেন, শতভাগ র্যাগিংমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল সাক্ষরতা, সফট স্কিল এবং যোগাযোগ দক্ষতা অর্জনের ওপর শিক্ষার্থীদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. এ. এস. এম. গোলাম হাফিজ কেনেডি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী এবং সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক এবং বিপুলসংখ্যক নবীন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে স্বাগত জানানো হয়।
ভিওডি বাংলা/জা









মন্তব্য