যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অগ্রগতিতে কমেছে তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে।
সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ১৯ ডলার কমে ৭৯ দশমিক ৩৮ ডলারে নেমে আসে। এর আগে আলোচনার পূর্বে দাম বেড়ে ৮২ ডলারেরও বেশি হয়েছিল।
ইরান জানিয়েছে, তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানির ওপর থাকা কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলের অনুমতি তারা পেয়েছে। পাশাপাশি বিদেশে আটকে থাকা কিছু সম্পদও ছাড় করা হবে। এতে বৈশ্বিক বাজারে ইরানি তেলের সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নিষেধাজ্ঞা আরও শিথিল হলে প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল আন্তর্জাতিক বাজারে ফিরতে পারে। এতে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়ে তেলের দাম নিম্নমুখী থাকতে পারে।
তবে বাজারে অনিশ্চয়তাও রয়ে গেছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়েছে। একই সময়ে লেবাননে নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনাও দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে।
এর মধ্যেও আলোচনায় অগ্রগতি এবং ইরানের সম্ভাব্য তেল রপ্তানি বৃদ্ধির কারণে গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমেছে।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকও বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ইরাক জানিয়েছে, তারা ধীরে ধীরে দৈনিক তেল উৎপাদন ৪২ থেকে ৪৩ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করবে।
সূত্র: রয়টার্স
ভিওডি বাংলা/আ







