মাঝরাতে ইরানের এক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, ইসরায়েলে রেড অ্যালার্ট

ইসরাইলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। আল-জাজিরাসহ একাধিক বৈশ্বিক গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
আইআরজিসির বরাতে জানা গেছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) হামলার জবাব দিতে উত্তর ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
ইসরায়েলের স্থানীয় সময় রোববার (৭ জুন) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ইরান ছুড়েছে, তা জানা যায়নি। আইডিএফ জানিয়েছে, উত্তর ইসরায়েলের অনেক জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র সতর্ক অ্যালার্ম বেজে উঠেছে।
পরে আইডিএফ জানায়, উত্তর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে এক ঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। এ হামলার পর তাৎক্ষণিক ইসরায়েলজুড়ে স্কুলসহ যাবতীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকার। একইসঙ্গে নাগরিকদের বাড়িঘর ছেড়ে সেফ হোম এবং আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ইরানের তাসনিম এজেন্সির বরাত দিয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানি সামরিক বাহিনীর খাতাম আল-আনবিয়ার এক কমান্ডার বলেছেন, বৈরুতে হামলা এবং দক্ষিণ লেবাননে তাদের আক্রমণ বিস্তৃত করার মাধ্যমে ইসরায়েল ‘সমস্ত সীমা’ অতিক্রম করেছে।
উত্তর ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপদেষ্টা মোহসিন রেজায়ি বলেছেন, আমরা বার বার বলেছি যে লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং আগ্রাসন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান সহ্য করবে না। আজ রাতে আমরা আগ্রাসনকারীদের জবাব দিলাম। তবে এটা শুধুমাত্র একটি সতর্কবার্তা। অশুভ শক্তি যদি এই সতর্কবার্তা আমলে না নেয়, পরবর্তী আঘাত হবে আরও ব্যাপক এবং এজন্য আগ্রাসনকারীদের চড়া মূল্য দিতে হবে।
উল্লেখ্য, ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েলের ওপর ইরানের এটিই প্রথম হামলা, যাতে তাৎক্ষণিক কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভিওডি বাংলা/এফএ







