খুলনায় গ্রেনেড বাবুর দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার ৫৯

খুলনা নগরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক কারবার ও চাঁদাবাজি দমনে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। অভিযানের অংশ হিসেবে শুক্রবার (৫ জুন) মহানগর এলাকা থেকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কেএমপি সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’র সহযোগী হিসেবে পরিচিত কসাই লিটন ও রিফাতও রয়েছেন।
শুক্রবার খুলনা মহানগর পুলিশের মিডিয়া বিভাগের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) যৌথ অভিযান চালায়। এতে খুলনা থানা এলাকা থেকে ১৩ জন, সোনাডাঙ্গা মডেল থানা থেকে ১৩ জন, লবণচরা থানা থেকে ৬ জন, হরিণটানা থানা থেকে একজন, খালিশপুর থানা থেকে ১৬ জন, দৌলতপুর থানা থেকে ৮ জন এবং ডিবি পুলিশ ২ জনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরে একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় সন্ত্রাসী, মাদক বিক্রেতা ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গত বুধবার কেএমপি সদর দপ্তরে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অপরাধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কেএমপি, গোয়েন্দা পুলিশসহ অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিটের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
পুলিশের দাবি, সাম্প্রতিক অভিযানের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাব্বিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত কেএমপির দক্ষিণ বিভাগের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই অভিযানে একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং ১১টি মোটরসাইকেল ও ১টি পিকআপ জব্দ করা হয়েছিল।
কেএমপি জানিয়েছে, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া, ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। নগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু







