এটা রাতের সরকার কিনা বুঝতে পারছি না: জামায়াত আমির

বিএনপি সরকারও অতীতের সরকারের মতো ‘রাতের সরকার’ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রাতের বেলায় নেওয়া হচ্ছে, যা জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যায় সিলেট নগরের পূর্ব শাহি ঈদগাহ এলাকায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মহানগর জামায়াত আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রাতের বেলায় নেওয়া হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েও সমালোচনা করেন।
জামায়াত নেতাদের ‘গুপ্ত’ আখ্যা দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের ভেতরে থেকে রাজনৈতিক সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়াকে যদি ‘গুপ্ত’ বলা হয়, তাহলে তিনি নিজেকে ‘গর্বিত গুপ্ত’ মনে করেন। তিনি দাবি করেন, সুসময়-দুর্দিন সবসময়ই তারা দেশের মানুষের সঙ্গে ছিলেন এবং থাকবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশে অনিয়ম হয়েছে। জনগণের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের মতামতকে সম্মান জানানো প্রয়োজন। অন্যথায় জনগণই একসময় তার জবাব দেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিয়েও সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। তার দাবি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করা গেলে বাজারে পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সংসদীয় আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মত দেন তিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জেলা আমির হাবিবুর রহমানসহ দলটির অন্যান্য নেতারা।
ভিওডি বাংলা/আ







