• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতির দুঃসময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী শহীদ জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার দেশ বিনির্মাণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এআই দিয়ে অবৈধ বাংলাদেশি খুঁজছেন শুভেন্দু অধিকারী হামের থাবায় সপ্তাহে ঝরছে ৬০ শিশুর প্রাণ শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে উপহার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী জিয়া উদ্যানে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তার দর্শন দেশের অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৪১৯ হজযাত্রী নিয়ে দেশে পৌঁছেছে হজের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট

হামের থাবায় সপ্তাহে ঝরছে ৬০ শিশুর প্রাণ

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ৩০ মে ২০২৬, ০২:০৯ পি.এম.
ছবি : সংগৃহীত

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।  
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে ৫৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে হিসাবে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫৭ জনের বেশি শিশুর প্রাণহানি ঘটছে। চলতি বছরের শুরু থেকে ছড়িয়ে পড়া এই প্রাদুর্ভাবের সর্বশেষ সপ্তাহেও মারা গেছে ৫৯ শিশু।

ডব্লিউএইচওর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিশ্চিত সংক্রমণের সংখ্যা কিছুটা কমলেও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যা এখনো ঊর্ধ্বমুখী।  গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৭৩২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রোগী উপস্থিতির প্রকৃত চিত্র এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দিয়ে প্রাদুর্ভাবের তীব্রতা নির্ধারণ করা যথাযথ নয়। সীমিত পরীক্ষা ও নজরদারির দুর্বলতার কারণে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আড়ালে থেকে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে মৃত্যুর হারই পরিস্থিতির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূচক। আর সেই সূচক বলছে, দেশে এখনো পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শিশুদের নির্ধারিত সময়ে হামের টিকা না পাওয়া, পুষ্টিহীনতা এবং ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচি বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়ার মতো কারণগুলো বর্তমান সংকটকে তীব্র করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহেই হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারের কাছাকাছি রয়েছে। একই সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হলেও ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী রোগটি ইতোমধ্যে দেশের সব জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, অতীতের মতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম এবার জোরালোভাবে পরিচালিত হয়নি। পাশাপাশি টিকাদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও আক্রান্তদের চিকিৎসা ও রোগ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি রয়ে গেছে। ফলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার প্রত্যাশিতভাবে কমছে না।

এরই মধ্যে ঈদের ছুটিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় সংক্রমণ আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সরকারি প্রচার-প্রচারণা খুব একটা চোখে পড়ছে না। তাঁদের মতে, প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ না নেওয়া হলে ঈদের পর সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও জটিল ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
ভিওডি বাংলা/আরকেএইচ/এসআর

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা
৬ শিশুর মৃত্যু অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১৮
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১৮
কক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যের ডিজি
আদ্–দ্বীন হাসপাতাল কক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যের ডিজি