অসুস্থ যুবদল নেতার মাকে দেখতে হাসপাতালে বিএনপি নেতারা

কুড়িগ্রামে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (২১ মে) অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি থাকা কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সভাপতি মাসুদ রানা বাবুর মাকে দেখতে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে যান কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিএনপি নেতারা।
জানা গেছে, মাসুদ রানা বাবুর মা দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছুটে যান বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক দপ্তরের সহ-সভাপতি রুপম রাজ্জাক, যুব নেতা শরিফ আহমেদ মামুন, সাংবাদিক জাফর আহমেদসহ দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
হাসপাতালে গিয়ে নেতৃবৃন্দ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রোগীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত সবাই অসুস্থ নারীর দ্রুত আরোগ্য কামনায় মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনীতি শুধু ক্ষমতা বা কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত রাজনৈতিক দায়িত্ব। দলের একজন নিবেদিত কর্মীর পরিবারের সংকটে সহযোগিতা করা বিএনপির সাংগঠনিক ও নৈতিক দায়িত্বের অংশ বলেও তারা উল্লেখ করেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, মাসুদ রানা বাবু দীর্ঘদিন ধরে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। দলের জন্য তাঁর অবদান রয়েছে উল্লেখযোগ্য। তাই তাঁর পরিবারের এই কঠিন সময়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাসপাতালে উপস্থিতি নেতাকর্মীদের মাঝে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
হাসপাতালে নেতাদের এমন মানবিক উপস্থিতিতে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক ভিন্নতা ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সংস্কৃতি সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহমর্মিতাও আরও শক্তিশালী হবে।
এদিকে বিএনপির নেতাদের এই উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মাঝেও প্রশংসিত হয়েছে। উপস্থিত অনেকে বলেন, রাজনৈতিক দলের নেতারা যদি সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন, তাহলে জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক সংগঠনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।
ভিওডি বাংলা/মো. এরশাদুল হক/জা







