নির্বাচন ভবনে সেবাগ্রহীতাদের প্রবেশ সীমিত করতে যাচ্ছে ইসি

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের প্রবেশ সীমিত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে সিডিউল পদ্ধতিতে যাচ্ছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ইসি কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আগারগাঁওয়ের এই ভবনে প্রতিদিন শত শত নাগরিক আসেন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা নিতে। সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কী হবে, এমন বিষয়ে কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “আমরা সিডিউল করে জানিয়ে দেব। এক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫০ জন হতে পারে। তাহলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।”
এনআইডি সংশোধনের স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী, আবেদনের ধরণ অনুযায়ী, সাতটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। এগুলো হলো- ‘ক’, ‘ক-১’, ‘খ’, ‘খ-১’, ‘গ’, ‘গ-১’ ও ‘ঘ’। আবেদন জমা পড়ার পর নির্দিষ্ট কর্মকর্তারা ক্যাটাগরি নির্ধারণ করে থাকেন।
‘ক-১’ ক্যাটাগরি নিষ্পত্তি করেন সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। ‘ক’ ক্যাটাগরি নিষ্পত্তি করেন উপজেলা কর্মকর্তা। ‘খ-১’ ক্যাটাগরি নিষ্পত্তি করেন অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ‘খ’ ক্যাটাগরি নিষ্পত্তি করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ‘গ’ ক্যাটাগরি নিষ্পত্তি করেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা।
আর যেকোনো ধরনের বয়স সংশোধন ও জটিল আবেদন নিষ্পত্তি হয় ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে, যা অনুমোদন করেন এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক। আবেদন বাতিল হলে আপিল করার সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে আপিলকারী কর্তৃপক্ষ করা হয়েছে সচিবকে। সচিবের কাছেও চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সংশোধন হলে কমিশনের কাছে আবার রিভিশন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ‘ঘ’ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রতিদিন শতশত মানুষ নির্বাচন ভবনে এসে থাকেন।
ভিওডি বাংলা/এসআর







