সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ৭০.৭৩ শতাংশ
প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সুন্দরবন সংরক্ষণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকসমূহে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি, জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি, আন্তর্জাতিক বৃহৎ বিড়াল সংরক্ষণ জোটে যোগদান এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত বৃহস্পতিবারের (২১ মে) প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সাতটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জাপান সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত “প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর” বিষয়ক চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত এ প্রস্তাবের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত “আন্তর্জাতিক বৃহৎ বিড়াল সংরক্ষণ জোট (আইবিসিএ) প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত কাঠামোগত চুক্তি” স্বাক্ষরের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। ২০২৩ সালে গঠিত এ বৈশ্বিক জোটটি বাঘ, সিংহ, চিতা, তুষার চিতা, পুমা, জাগুয়ার ও চিতাবাঘসহ সাতটি বৃহৎ বিড়াল প্রজাতি সংরক্ষণে কাজ করছে। বর্তমানে জাতিসংঘভুক্ত ২৪টি দেশ এ জোটের সদস্য।
বাংলাদেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি হওয়ায় সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অবৈধ শিকার ও বাণিজ্য প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ চুক্তিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
অন্যদিকে, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে “নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনবিষয়ক বৈশ্বিক চুক্তি” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১৮ সালে জাতিসংঘে গৃহীত এ বৈশ্বিক অভিবাসন চুক্তিতে বাংলাদেশসহ ১৬৪টি দেশ অংশ নেয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশকে “জিসিএম চ্যাম্পিয়ন দেশ” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
বিভিন্ন অংশীজনের মতামত এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় প্রণীত ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের এই জাতীয় কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
ভিওডি বাংলা/এসআর







