• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live

প্রধানমন্ত্রী ও জুবাইদা রহমানের নির্দেশনায়

ডা. নাসিরকে দেখতে ঢামেকে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৭ মে ২০২৬, ১১:৪২ পি.এম.
ডা. নাসিরকে দেখতে ঢামেকে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল। ছবি: সংগৃহীত

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হামলার শিকার হয়ে আই সি ইউ তে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত ডাঃ নাসির আহমদকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে যান জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) একটি প্রতিনিধিদল। 

রোববার (১৭ মে) বিকাল ৫ টায় জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি আহত চিকিৎসকের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

ডা. নাসিরকে দেখতে ঢামেকে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল।

 এ সময় তারা ডা. নাসিরের চিকিৎসায় সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ সময় অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, বর্তমানে চিকিৎসকদের প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ডাক্তারও এই সমাজেরই একজন মানুষ—কারো ভাই, কারো বোন। কিন্তু মানুষ সেটা ভুলে যাচ্ছে। রোগী সুস্থ হলে বলা হয় আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে, আর রোগী মারা গেলে সব দায় চিকিৎসকের ওপর চাপানো হয়।

ডা. নাসিরকে দেখতে ঢামেকে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকদের কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। প্রত্যেক উপজেলায় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনসার সদস্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু নিরাপত্তা বাড়ালেই সমস্যার সমাধান হবে না, মানুষের মানসিকতারও পরিবর্তন প্রয়োজন।

ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, রোগীর চিকিৎসার নিশ্চয়তা এবং চিকিৎসকদের নিরাপত্তা—দুই বিষয় নিয়েই সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো কাজ করছে। রোগী সুরক্ষা আইন ও চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ডা. নাসিরকে দেখতে ঢামেকে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল।

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেড সংখ্যা মাত্র ১৭০০, অথচ সেখানে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজার রোগী চিকিৎসা নেয়। একইভাবে উপজেলা হাসপাতালগুলোতেও সীমিত বেডের বিপরীতে অতিরিক্ত রোগী থাকে। এই বাস্তবতায় চিকিৎসকদের ওপর প্রচণ্ড চাপ থাকে, বিষয়টি জনগণকে বুঝতে হবে।

উল্লেখ্য,১৫ মে বৃহস্পতিবার শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে একজন হৃদরোগে আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ডা. মো নাসির কে সন্ত্রাসীরা গুরুতর জখম করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম, অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার, সাংবাদিক সাঈদ খান, প্রকৌশলী উমাশা উমায়ন মনি চৌধুরী, ডা. খালেকুজ্জামান দিপু, ডা. সৈয়দ ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, ডা. আশফাক নবী কনক, ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল, ডা. জুবায়ের আবেদিন জিসান, ডা. সুমন, ডা. মেশকাত, ডা. শুভ ও ডা. রাসেল।

ভিওডি বাংলা/আ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরে নীতিগত অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর
১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরে নীতিগত অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত
মেঘনার ভাঙন রোধে আগামী অর্থবছরেই স্থায়ী ব্যবস্থা: পানিসম্পদমন্ত্রী
মেঘনার ভাঙন রোধে আগামী অর্থবছরেই স্থায়ী ব্যবস্থা: পানিসম্পদমন্ত্রী