{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সিআইডির জালে আবাসন ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১০ মে ২০২৬, ০৬:১৮ পি.এম.
ছবি: ভিওডি বাংলা

রাজধানীতে আবাসন ব্যবসার নামে শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে “হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড” নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (১০ মে) সিআইডির মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উত্তরা পূর্ব থানার একটি প্রতারণা মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত হায়দার কবির মিথুন দক্ষিণখান এলাকার বাসিন্দা। তিনি হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেডের ডিএমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উত্তরখান এলাকায় ১০ কাঠা জমির ওপর জি+৯ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মোট ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয় ১৫ লাখ টাকা। আকর্ষণীয় প্রস্তাবে প্রলুব্ধ হয়ে বাদীসহ অনেক গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের উত্তরা সেক্টর-৪ এর অফিসে গিয়ে বিনিয়োগ করেন।

বাদী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমে ১ লাখ টাকা এবং পরে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। একইভাবে তার এক বন্ধু আরও ৯ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন।

তদন্তে জানা যায়, গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পরও অভিযুক্তরা জমির শেয়ার রেজিস্ট্রেশন করে দেয়নি। বরং বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। পরে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় থ্রি-স্টার হোটেল ও বিভিন্ন মৌজার জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে আনুমানিক ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, গ্রাহকরা টাকা ফেরত চাইলে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হতো। একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শিশির আহমেদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে আগের আর্থিক লেনদেনের দায় অস্বীকার করা হয়।

সিআইডি জানায়, তদন্তে হায়দার কবির মিথুনের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলা হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখে বিদেশে পালিয়ে যান।

অবশেষে শনিবার রাতে বিদেশ থেকে ফেরার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সিআইডির তথ্যমতে, তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী ও উত্তরা এলাকার একাধিক প্রতারণা মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছেন। বর্তমানে তাকে রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।

মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডির ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিট। প্রতারণা চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ভিওডি বাংলা/এমআই/এফএ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
‘মাদকসেবিদের’ আমেরিকার গল্প শোনাচ্ছে ডিবি
‘মাদকসেবিদের’ আমেরিকার গল্প শোনাচ্ছে ডিবি
গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি
গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি
প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডারে দুই লাখ পিস ইয়াবা
প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডারে দুই লাখ পিস ইয়াবা